
কুমিল্লার
দাউদকান্দিতে ওভারটেক করতে গিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে দুজন নিহত
হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৫/২০ জন। রবিবার বিকাল পৌনে ৪ টায়
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের জিংলাতুলি সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
দুজন হলো, চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের আবুদুর রাজ্জাক
মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (৪৭) ও অটোচালক দাউদকান্দি উপজেলার বাহাদুরখোলা
গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে ফারুক হোসেন(৩৭)।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে
ইকোনো পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস দাউদকান্দির জিংলাতুলি এলাকায় পৌঁছালে
পৃথক আরেকটি যাত্রীবাহী বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে একটি অটোরিকশাসহ এ
দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোরিকসাসহ
সড়কের পাশে মাছের ঘেরে পড়ে যায়। অন্য বাসটি দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে
পালিয়ে যায়।
স্থানীয় উদ্ধারকারী কবির মিয়া বলেন, আমরা কয়েকজন মাছের
প্রজেক্টে কাজ করছিলাম। সড়কে আওয়াজ শুনে তাকিয়ে দেখি কয়েকটি পল্টি খেয়ে
বাসটি আমাদের প্রজেক্টে পড়ছে। দৌড়ে এসে কয়েকজনকে উদ্ধার করে গৌরীপুর
হাসপাতালে নিয়ে যাই। অটোচালক ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আর প্রজেক্টটি শুকনো
ছিল,পানি থাকলে হয়তো আরো বেশি প্রান যেতো।
বাসটির যাত্রী আহত সীমান্ত
বলেন, ঢাকা থেকে ইকোনো বাসে নোয়াখালী যাচ্ছিলাম। বাসটি আরেকটি বাসকে
ওভারটেক করতে গিয়ে একটি অটোকে গাছের সাথে মেরে দিয়েছে। আর ৩/৪টি পল্টি খেয়ে
আমাদের বাসটি নিচে পড়েছে।হাসপাতালে দেখি আমার সামনের সিটে বসা লোকটি মারা
গেছে।
দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক
দিলরুবা শারমিন জানান, এ ঘটনায় আহত ৮ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে দু'জন মারা
যায় । তিনজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের এসও
ইশরাদ হোসাইন বলেন, বাস দূর্ঘটনার খবর পেয়ে আমাদের দু'টি ইউনিট নিয়ে
ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত বা নিহত কাউকে পাইনি। আমরা আসার আগেই স্থানীয়রা আহতদের
উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ
ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, বাসটি ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি
অটোসহ খাদে পড়ে যায়। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন।
