তানভীর দিপু।।
কুমিল্লায় ১১ আসনের ৮৩ জন মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ৫৯ জন। এর মধ্যে সব চেয়ে বেশি ১০ প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন জামানত হারিয়েছেন কুমিল্লা-৫ বুড়িচং- ব্রাহ্মণপাড়া আসনে। তবে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীদের কেউ জামানত হারাননি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান জানান, ৮৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫৯ জন তাদের মনোনয়নপত্রের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনি আরপিও কোন আসনে প্রাপ্ত ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীরা জামানত হারাবেন। সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ জন প্রার্থী কুমিল্লা-৫ আসনে অংশ নিয়েছিলেন তার মধ্যে ৮ জন জামানত হারিয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা- ১ আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৭জন, কুমিল্লা- ২ আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৩জন, কুমিল্লা- ৩ আসনে ৯ জনের মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৭জন, কুমিল্লা- ৪ আসনে ৫ জনের মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৩জন, কুমিল্লা- ৫ আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৮জন, কুমিল্লা- ৬ আসনে ৯ জনের মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৭জন, কুমিল্লা- ৭ আসনে ৫ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছে ২জন, কুমিল্লা- ৮ আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে -জামানত হারিয়েছে ৬জন, কুমিল্লা- ৯ আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৬জন, কুমিল্লা- ১০ আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৫জন, কুমিল্লা- ১১ আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছে ৫জন।
এসব প্রার্থীর জামানত হারানোর বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজনের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান টিটু বলেন, গণতন্ত্রের একটি শর্ত হচ্ছে সবাইকে সুযোগ দেয়া- সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কাউকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়াটাও ইতিবাচক দিক। তবে এসব রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ কোন অপরাধ করছে কিনা কিংবা অন্যকারো পক্ষে স্বেচ্ছায় কাজ করছে কি না তারও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
সংসদ নির্বাচনের বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কুমিল্লা-১ আসনে মোট নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করেছেন। তাদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ৭ প্রার্থী। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, আবু জায়েদ আল মাহমুদ (কলস-২০১), ওমর ফারুক (ঘোড়া- ২০৫), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ ( হাতপাখা-৬৫০২), বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমান (মোটরগাড়ি ১৪৪), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম( হাতি ৪৪১), এবি পার্টির মো. সফিউল বাসার( ইগল-৫১১) ও জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেকার আহসান (লাঙ্গল-৬৩১)। কুমিল্লা-২ আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন জামানত হারান। তাঁরা হলেন , ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফুল আলম (হাতপাখা-৬৬১১), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আব্দুস সালাম (চেয়ার-৭৬৭) ও জাতীয় পার্টির মো. আমির হোসেন (লাঙ্গল-৫৭০)।
কুমিল্লা-৩ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন ৯ প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৭ প্রার্থীর জামানত হারিয়েছেন, তারা হলেন , ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আবদুল কাইয়ুম( হাতপাখা -৩৫৯৩), আমজনতার দলের চৌধুরী রকিবুল হক (প্রজাপ্রতি-২৪৪), গণঅধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান (ট্রাক-৬৩৩), বিআরপির মো. এমদাদুল হক (হাতি-১১১), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম ( ডাব-৭১৭), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো.শরীফ উদ্দিন সরকার (আপেল-১৬৭) ও এনডিএমের রিয়াজ মো. শরীফ (সিংহ-১৫২)।
কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন ৫ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারান। তারা হলেন, ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইরফানুল হক সরকার( আপেল-৪২৭), খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ( দেওয়াল ঘড়ি-২৪৮) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম (হাতপাখা-২২৩২)।
কুমিল্লা-৫ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে ৮জনই জামানত হারান। তাঁরা হলেন , বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল ক্বাফী ( কাস্তে-৩৪২), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবুল কালাম ইদ্রিস (হারিকেন-১৪৭), ইনসানিয়াত বিপ্লবের তানজিল আহমেদ ( আপেল-১৬৭) এনপিপির মো. আবুল বাসার (আম ১০৪), জাতীয় পার্টির মো. এমরানুল হক( লাঙ্গল-৭০৫), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম (হাতপাখা-১৫০৫), এবি পার্টির যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া ( ঈগল-২০২৯) ও জেএসডির শিরিন আক্তার (তারা-১৫৩)।
কুমিল্লা-৬ আসনে ৯জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন, জেএসডির ওবায়দুল করিম মোহন (তারা-৪৫৩), বাসদের কামরুন্নাহার সাথী(মই-৫১৫), গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন ( ট্রাক-২১৫), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ (হাতপাখা-২৪৭৬), মুক্তিজোটের মো. আমির হোসেন ফরায়েজী (ছড়ি-১৫৩), বিএমএলের মো. ইয়াছিন (হাতপাঞ্জা-১৫৯৭) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মাসুম বিল্লাহ মিয়াজী (মোমবাতি-৪৬৪৮)
কুমিল্লা-৭ আসনে ৫ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তাঁরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. এহতেশামুল হক (হাতপাখা-১৪২৭৭) এবং মুক্তিজোটের সজল কুমার কর ( ছড়ি-২৬১)।
কুমিল্লা-৮ আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৬জন প্রার্থী জামানত হারান। তাঁরা হলেন, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল কাদের ( মিনার-২৭৯), জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান (লাঙ্গল-৭২৭), বিএসপির মোহাম্মদ গোলাম মোরশেদ (একতারা-৩২২৪), বাসদের মো. আলী আশ্রাফ (মই-১৬০), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. গোলাম ছাদেক (হাতপাখা-২২৭৩) ও বিআরপির মফিজ উদ্দীন আহমেদ (হাতি-১৬১)।
কুমিল্লা-৯ আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৬জনের। তাঁরা হলেন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর ছিদ্দিক (চেয়ার- ৩৯১৯), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল কাশেম ( হাঁস-৩৩৫), জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল (লাঙ্গল-১২১৬), মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী (ছড়ি-১২৪), স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা (ফুটবল-৪৭৬) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সেলিম মাহমুদ ( হাতপাখা-৭৬২৬)।
কুমিল্লা-১০ আসনে ৭জন প্রার্থীর মধ্যে ৫জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তাঁরা হলেন, মুক্তিজোটের কাজী নুরে আলম ছিদ্দিকি ((ছড়ি-৩২২), আমজনতার দলের আবদুল্লাহ আল নোমান (প্রজাপ্রতি-৩৭৩), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামসুদ্দোহা (হাতপাখা-৭৯৫৯),গণঅধিকার পরিষদের রমিজ বিন আরিফ ( ট্রাক-২৯৩) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাছান আহমেদ (ডাব-৪০০)। কুমিল্লা-১১ আসনে ৭ জনের মধ্যে ৫জনের জামানত হারান। তাঁরা হলেন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ ফ ম আবদুর রহিম( ডাব-১৯৪), মুক্তিজোটের মোহাম্মদ ইউসুফ (ছড়ি-১৮৬) গণফ্রন্টের মো. আলমগীর ( মাছ-৯৮) ও জাতীয় পার্টির মো. মাইন উদ্দিন ( লাঙ্গল ৭০৪) এবং ইসলামী আন্দোলনের মো. মহিউদ্দিন (শহিদ) (হাতপাখা-২৭৬৬)।
নির্বাচন কমিশনের পরিপত্রে ঘোষণা করা হয়েছে, কোনো প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে। অন্যথায় জামানত বাবদ জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে। এসব প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমাকালে সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জামানত বাবদ জমা করতে হয়েছে। কুমিল্লা ১১ টি আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৪৯ লাখ ৯২ হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার রয়েছে ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৭ এবং পুরুষ ভোটার ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ৪৯৩ জন।
আগামীর বাংলাদেশ
হবে জামায়াতে
ইসলামীর
-মাওলানা আব্দুল হালিম

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হলিম বলেছেন, জামায়াত এবং ১১ দলীয় জোট জাতীয় নির্বাচনে বিশাল সফলতা অর্জন করেছে। ফলাফল জালিয়াতির পরেও ৪৪% ভোট পেয়ে শক্তিশালী বিরোধী দলে সম্পৃক্ত হওয়ার পথে। সুতরাং আগামীর বাংলাদেশ হবে জামায়াতে ইসলামীর। আর আপনাদের নেতা ডাঃ তাহের হবেন বিরোধীদলের উপনেতা। চৌদ্দগ্রামের উন্নয়নে ওনার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে আপনারা সহযোগিতা করবেন। আর জামায়াতকে গণসংগঠনে পরিণত করতে হবে।
তিনি রোববার সন্ধ্যায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ও কাশিনগর ইউনিয়নে নির্বাচনী উত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কাশিনগর ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালক, সাবেক উপজেলা আমীর শাহ মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এড মোঃ শাহজাহান, সাবেক উপজেলা আমীর মাও.আবু বকর। উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আমীর মোঃ মহসিন কবির, সেক্রেটারী মাওলানা মোঃ শাহআলম, সহকারী সেক্রেটারী মোঃ মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির ইউনিয়ন সভাপতি আবুল কাশেম ডিলার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবুল কালাম, আসলাম মিয়া, লন্ডন প্রবাসী আমীর হোসেন খোকন, মাওলানা নুরুল হক, মাষ্টার ইয়াছিন, ওয়াদুদ মেম্বার।
এছাড়া শ্রীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল হাকিমের সভাপতিত্বে ও যুব নেতা রবিউল হোসেন মিলনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি মাওলানা আবদুল হালিম, প্রধান বক্তা এডভোকেট মু. শাহজাহান, বিশেষ অতিথি উপজেলা আমীর মাহফুজুর রহমানসহ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, এমদাদুল হক শাহী, মাওলানা আবুল কাশেম, মাওলানা শহীদুল্লাহ, শিবিরের কেন্দ্রীয় মাদ্রাসা কার্যক্রম সম্পাদক আলাউদ্দিন আবির, শিবিরের কুমিল্লা মহানগরীর সাবেক প্রচার মনির হোসেন মজুমদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
তারেক রহমানের সাথে দেখা
করলেন হাজী ইয়াছিন
, জানালেন শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির নির্বাচনী সমন্বয়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ করেন হাজী ইয়াছিন। এ সময় তিনি নির্বাচনে দলীয় নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে দলের প্রধানকে অগ্রিম অভিনন্দন জানান হাজী ইয়াছিন।
এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অভ্যন্তরীণ ঐক্যের ঘোষণা দেন দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। এরপর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে বিএনপির দলীয় প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন ঘোষণা করেন।
ওইদিন দুপুরে কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগরপাড়ে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাজী ইয়াছিন নিজেই তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির দলীয় প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীসহ দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এরপর থেকে তিনি নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা দীর্ঘ ২০ দিন যাবত নেতাকর্মীদের নিয়ে দলের মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী গণসংযোগে নেমে পড়েন। একই সাথে দায়িত্ব পালন করতে থাকেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন ৬টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে। এরপর একে একে ৬টি আসনের মধ্যে কয়েকটি আসনের দলীয় বিভাজন দূর করে ওইসব আসনে বিএনপির নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ করে দলের জয়ে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। নির্বাচন ঘিরে হাজী ইয়াছিনের দূরদর্শী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রসংশা লাভ করে।
নির্বাচনকে পুঁজি করে দুই
থেকে তিন গুণ ভাড়া বৃদ্ধি
কুমিল্লা-বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া সড়কে ভাড়া নৈরাজ্য, চরম জনদুর্ভোগ

ইসমাইল নয়ন।।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সড়কে সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া নৈরাজ্য চরম আকার ধারণ করেছে। নির্ধারিত ভাড়া ৬০ টাকা হলেও বর্তমানে যাত্রীদের কাছ থেকে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে নারী, শিশু ও কর্মজীবী মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রাহ্মণপাড়া সিএনজি স্টেশন থেকে কুমিল্লা শহরে যেতে যাত্রীদের কাছ থেকে দেড়শ থেকে দুইশ টাকা পর্যন্ত ভাড়া দাবি করছেন চালকেরা। অতিরিক্ত যাত্রীচাপ ও সিএনজির স্বল্পতাকে পুঁজি করে একটি চক্র সংঘবদ্ধভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সড়কের বিভিন্ন অংশ সংস্কার করা হয়েছে। তবে ভরাসার বাজার ও টাটেরা এলাকায় আংশিক সংস্কারকাজ চলমান থাকায় মাঝে মাঝে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এই অজুহাতে চালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। যদিও যাত্রীদের দাবি, যানজট সাময়িক হলেও ভাড়া বৃদ্ধি স্থায়ীভাবে বহাল রাখা হয়েছে।
গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। শহর থেকে ভোট দিতে এলাকায় আসা অনেককে তিন থেকে চারগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও সেই ভাড়া নৈরাজ্য অব্যাহত রয়েছে বলে জানান যাত্রীরা।
ব্রাহ্মণপাড়া থেকে কুমিল্লাগামী যাত্রী আবুল কালাম বলেন, নির্বাচনের আগের দিন ১২০ টাকা দিয়ে এসেছি। এখন যেতে ১৮০ টাকা চাচ্ছে। বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিয়েই যেতে হচ্ছে।
আরেক যাত্রী ফরহাদ জানান, সিএনজি কম থাকায় এখন অটো বা অন্য যানবাহনে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কয়েকজন সিএনজি চালক বলেন, সড়কের আংশিক সংস্কারকাজ ও যানজটের কারণে সময় বেশি লাগছে। এছাড়া যাত্রীচাপ বেশি থাকায় ভাড়া কিছুটা বাড়াতে হচ্ছে। চালক জুয়েল মিয়া বলেন, জ্যামে আটকে থাকতে হয়, তাই একটু বেশি নিতে হয়। অন্য চালক ফরিদ মিয়ার দাবি, অনেক সময় যাত্রীরাই দ্রুত যাওয়ার জন্য নিজেরাই বেশি ভাড়া দিতে রাজি হন।
এদিকে যাত্রীদের অভিযোগ, কিছু অসাধু চালক একজোট হয়ে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি না দিলে যাত্রী তুলতে চান না। এতে সাধারণ মানুষ একপ্রকার জিম্মি অবস্থায় যাতায়াত করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী বলেন, এমন ভাড়া নৈরাজ্য দেশের আর কোথাও আছে কিনা সন্দেহ। প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
সড়ক সংস্কারের পর অনেক চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এতে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যাত্রীরা।
ঝুঁকি এবং নিরাপত্তাহীনতায় যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীদের।
ভুক্তভোগী যাত্রীদের একটাই দাবি,প্রশাসন যেন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর, নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযানের মাধ্যমে ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ করে সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমান জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান এ বিষয়ে আমাকে অবগত করায় আমি আজও ১ ঘন্টা ব্রাহ্মণপাড়া সিএনজি স্টেশনে ছিলাম। কেউ আমার কাছে কোন অভিযোগ করে নাই। তারপরও কোনো অসাধু চালক যদি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে, তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হবে।
দাউদকান্দিতে ওভারটেক করতে
গিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ২

আলমগীর হোসেন, দাউদকান্দি
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ওভারটেক করতে গিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে দুজন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৫/২০ জন। রবিবার বিকাল পৌনে ৪ টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের জিংলাতুলি সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলো, চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের আবুদুর রাজ্জাক মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (৪৭) ও অটোচালক দাউদকান্দি উপজেলার বাহাদুরখোলা গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে ফারুক হোসেন(৩৭)।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ইকোনো পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস দাউদকান্দির জিংলাতুলি এলাকায় পৌঁছালে পৃথক আরেকটি যাত্রীবাহী বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে একটি অটোরিকশাসহ এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোরিকসাসহ সড়কের পাশে মাছের ঘেরে পড়ে যায়। অন্য বাসটি দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় উদ্ধারকারী কবির মিয়া বলেন, আমরা কয়েকজন মাছের প্রজেক্টে কাজ করছিলাম। সড়কে আওয়াজ শুনে তাকিয়ে দেখি কয়েকটি পল্টি খেয়ে বাসটি আমাদের প্রজেক্টে পড়ছে। দৌড়ে এসে কয়েকজনকে উদ্ধার করে গৌরীপুর হাসপাতালে নিয়ে যাই। অটোচালক ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আর প্রজেক্টটি শুকনো ছিল,পানি থাকলে হয়তো আরো বেশি প্রান যেতো।
বাসটির যাত্রী আহত সীমান্ত বলেন, ঢাকা থেকে ইকোনো বাসে নোয়াখালী যাচ্ছিলাম। বাসটি আরেকটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে একটি অটোকে গাছের সাথে মেরে দিয়েছে। আর ৩/৪টি পল্টি খেয়ে আমাদের বাসটি নিচে পড়েছে।হাসপাতালে দেখি আমার সামনের সিটে বসা লোকটি মারা গেছে।
দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দিলরুবা শারমিন জানান, এ ঘটনায় আহত ৮ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে দু'জন মারা যায় । তিনজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের এসও ইশরাদ হোসাইন বলেন, বাস দূর্ঘটনার খবর পেয়ে আমাদের দু'টি ইউনিট নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত বা নিহত কাউকে পাইনি। আমরা আসার আগেই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, বাসটি ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোসহ খাদে পড়ে যায়। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন।
লালমাইয়ে
ট্রেনে কাটা পড়ে
অটোরিকশাচালক
নিহত

প্রদীপ মজুমদার :
কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা রেলগেইট এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক অটো রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি মোঃ মহিন উদ্দিন (৩৫)। তিনি বরুড়া উপজেলার শিলমুড়ী ইউনিয়নর চেঙ্গাহাটা গ্রাম এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে। পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সকালে বাগমারা রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় হঠাৎ দ্রুতগতির একটি ট্রেন চলে আসে। এতে তিনি ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারসহ স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
লাকসাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী উপকূল ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৭টায় লাকসাম স্টেশন অতিক্রম করে। সম্ভবত সেই ট্রেনে কাটা পড়ে বাগমারা বাজারে মহি উদ্দিন নামে নিহত হয়েছেন। খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তার আগেই নিহতের পরিবার মরদেহ বাড়ি নিয়ে গেছেন।
কুমিল্লা নিউমার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি ঘোষণার একদিন পর অবাঞ্চিত ঘোষণা
বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা নিউমার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির আংশিক কমিটি অনুমোদনের একদিন পরই তা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা নিউমার্কেটের নিচতলায় ব্যবসায়ীদের এক সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন কাক্কু। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সহ সভাপতি মো. সেলিম মিয়া, সাবেক সহ সভাপতি সাংবাদিক মো. শহিদুল ইসলাম,সাবেক কমিটির মো. নুরে আলম, সহ-কোষাধ্যক্ষ মো. এনামুল হক, কাউছার আহমেদ, মো. ইকবাল হোসেন, মো. বাবুল মিয়া, মো. মোহসিন, সাইফুল ইসলাম, মো. সাইদ, দেলোয়ার মিয়াসহ নিউমার্কেটের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।
সভায় বক্তারা বলেন, কুমিল্লা নিউমার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি গঠিত হবে শুধুমাত্র নিউমার্কেটের প্রকৃত ব্যবসায়ীদের নিয়ে। বাইরে থেকে কাউকে এনে কমিটিতে রাখা হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ব্যবসায়ীদের দাবি, ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তারা আরও বলেন, সম্প্রতি যে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই করা হয়েছে। ফলে ওই কমিটি অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। উক্ত কমিটিকে কেউ মানেন না এবং ভবিষ্যতেও মানবেন না বলেও সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন কমিটি গঠনের আহ্বান জানান বক্তারা।
বরখাস্ত হওয়া পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের পুনর্বহাল করেছে
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) পরিচালিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পিবিএস) বরখাস্ত হওয়া ৪৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পুনর্বহাল করেছে বিদায়ী অন্তর্র্বতী সরকার। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালে সংস্কার দাবি ও বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের কারণে বরখাস্ত হওয়া কর্মীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ বিভাগ গত ১০ ফেব্রুয়ারি তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ জারি করে।
পুনর্বহালের আদেশে স্বাক্ষরকারী বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বাসসকে বরখাস্ত হওয়া কর্মীদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা বিআরইবিতে পূর্বের পদে তাদের পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, পুনর্বহাল আদেশ কার্যকর করার জন্য মন্ত্রণালয় বিআরইবি চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠিয়েছে।
আবেদনকারীরা তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেন, পল্লী বিদ্যুৎ খাতে সংস্কার, পেশাগত বৈষম্য দূরীকরণ এবং অভিন্ন সার্ভিস কোড প্রবর্তনের দাবিতে তারা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
তারা জানান, আন্দোলনের সময় অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়, যার ফলে বিভিন্ন আদেশে তাদের বরখাস্ত করা হয় এবং চুক্তি বাতিল করা হয়।
মানবিক কারণে কর্মচারীরা পুনর্বহালের আবেদন করেছিলেন।