কুমিল্লা-৬
(আদর্শ সদর, কুমিল্লা মহানগরী, সদর দক্ষিণ ও সেনানিবাস এলাকা) আসনে ১০
দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি)
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আদর্শ সদর উপজেলার
৬ নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বালুতুপা এলাকায় জনসমাবেশ করেন। বিকাল ৩টায়
অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
অংশ নেন।ইউনিয়ন সেক্রেটারী ডাঃ মাহফুজুর রহমান এর সঞ্চালনায় সমাবেশে
সভাপতিত্ব করেন ওয়ারাসা ফুড প্রোডাক্টসের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান
পদপ্রার্থী মোঃ ওয়াদিদুর রহমান চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন দাঁড়িপাল্লা
মার্কার এমপি প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে
বক্তব্য রাখেন মহানগরীর নায়েবে আমীর মাস্টার মোসলেউদ্দিন, মহানগরীর
সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মোঃ কামরুজ্জামান
সোহেল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সবুজ,
মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক জাকির হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ কুমিল্লা
মহানগরীর সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা
ও গলিয়াড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম, ভিক্টোরিয়া কলেজ
ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোঃ মনির হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট
আরিফুজ্জামান, পরিবহন ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরীর সভাপতি মানবিক ড্রাইভার
মহিউদ্দিন,
শ্রমিক কল্যাণ পুর্ব থানা সভাপতি মোঃ নুর হোসেন,শ্রমিক
কল্যাণ মহানগরী উত্তর এর সভাপতিত্বে মোঃ কলিমুল্লাহ, ইউনিয়ন সাবেক সভাপতি
মোঃ আবুল হোসেন,
ওয়ার্ড আমীর মাস্টার জসিম উদ্দিন ইউনিয়ন যুববিভাগের
সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, এন সিবি জেলা কমিটির সদস্য আব্দুস সুবহান,ইউনিয়ন
শিবির সভাপতি মোঃ জাফর আহমেদ, ডাঃ সাদিকুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ দাবি করেন, ইউনিয়ন আমীর জামাল
হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তিনি বলেন, “হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে
২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে, নতুবা প্রশাসনকে কঠিন পরিস্থিতি
মোকাবেলায় পড়তে হবে”। তিনি আরও বলেন, “ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে জনগণ
জবাব দিতে প্রস্তুত”।
বিশেষ অতিথি মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন,
“প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ জনগণের অধিকার নিশ্চিত করবেন-১২ ফেব্রুয়ারির
নির্বাচনে হ্যাঁ ভোট ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সমর্থন দিয়ে তাকে জয়ী করতে
হবে।”
মাস্টার মোসলেউদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, “ভোট দেয়া ও রাজনীতি করা
নাগরিকের অধিকার। আমরা মতবিরোধীদের বিরুদ্ধে জুলুম করতে চাই না। উৎসবমুখর
পরিবেশে নির্বাচন হবে বলে আশা করছি।”
অধ্যাপক মামুন বলেন, “কুমিল্লায় যে
কোনো উন্নয়ন কাজে কমিশন দেয়ার সংস্কৃতি বন্ধ হবে-আগামীর কুমিল্লা হবে
কমিশনমুক্ত।” তিনি নারী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং
কৃষকদের সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার প্রস্তাব তুলে ধরেন।
সহকারী সেক্রেটারি
কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, “নতুন প্রচারণায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা
হয়েছে-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অপপ্রচারের জবাব জনগণ দেবে।”
সভাপতি মোঃ ওয়াদিদুর রহমান চৌধুরী বলেন, “দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয়ের মাধ্যমে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে।”
সমাবেশে
প্রশাসনের প্রতি হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয় এবং
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।
