
আগামীকাল
থেকে ৮ দিন ব্যাপি ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা ২০২৫ শুরু হচ্ছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় ৪১টি জেলা এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাসহ সর্বমোট ৪৯টি
দল অংশগ্রহণ করছে।
এবার সর্বোচ্চ ১৪টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
হতে যাচ্ছে। যেখানে সিনিয়র ক্যাটাগরির পাশাপাশি অনূর্ধ্ব ১৯ বছরের
বালক-বালিকারাও অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। প্রতিযোগিতার ইভেন্টগুলোর মধ্যে
রয়েছে পুরুষ একক, পুরুষ দ্বৈত, পুরুষ দলগত, মহিলা একক, মহিলা দ্বৈত, মহিলা
দলগত এবং পুরুষ ও মহিলাদের মিশ্র দ্বৈত। জুনিয়রদের জন্য রয়েছে অনূর্ধ্ব ১৯
বালক একক, বালক দ্বৈত, বালক দলগত, বালিকা একক, বালিকা দ্বৈত, বালিকা দলগত,
অনূর্ধ্ব ১৯ মিশ্র দ্বৈত। অনূর্ধ্ব ১৯ এর শীর্ষ ১৬ বালকদের সিনিয়রদের সব
ক্যাটাগরিতে খেলার সুযোগ দেয়া হয়েছে। আর বালিকাদের ক্ষেত্রে নারীদের সাথে
খেলার সুযোগ দেয়া হয়েছে।
আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় টিটির আড়ালে
আগামী নির্বাচনের জন্য পছন্দমতো কাউন্সিলর তৈরী করতেই সুযোগ করে দেওয় হচ্ছে
অনেক দলকেই। জানা গেছে, টিটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী টানা দুটি জাতীয়
চ্যাম্পিয়নশিপ খেললেই কাউন্সিলর হিসাবে যোগ্য হবে কোন ক্লাব বা সংস্থা।
অভিযোগ রয়েছে, সেই কারণেই বিভিন্ন সংস্থাকে বিকেএসপির খেলোয়াড় দেওয়া হয়েছে।
একই কারণে সিনিয়র এই চ্যাম্পিয়নশিপে আনা হয়েছে বিকেএসপিকেও।
আজ শহিদ
তাজ উদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি
স্বীকারও করলেন টিটি ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক ক্যাপ্টেন এমএ মাকসুদ
আহমেদ, ‘এখন নির্বাচন করতে গেলে কোন কাউন্সিলর নেই। কারা কাউন্সিলর হবে?
তাই কাউন্সিলর বানাতেই আমাদের এমন উদ্যোগ। কাল (আজ) থেকে শুরু হচ্ছে গত
বছরের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। এবছরেরটাও হবে।’
৪১ জেলাসহ ৪৯টি দলের প্রায়
পাঁচশ প্রতিযোগির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে বাজেট ২৫ লাখ টাকা।
কিন্তু কোন অর্থ পুরস্কার নেই। বিভিন্ন সার্ভিসেস ও সংস্থার পেশাদার
খেলোয়াড়দের সঙ্গে জেলার খেলোয়াড়রা কিভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন? এমন
প্রশ্নের উত্তরে মাকসুদ আহমেদের কথা, ‘তারা হয়তো তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করতে পারবে না। তবে ভবিষ্যতের জন্য আইডল খুঁজে পাবে।’
