
নিজস্ব
প্রতিবেদক: কুমিল্লা-৯ (লাকসাম- মনোহরগঞ্জ) আসনে ১৩ টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে
পত্রের মধ্যে ৮ টি মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এর মধ্যে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এবং বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়া ২
স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লা জেলায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই করেন।
বাছাইয়ে বাতিল হওয়া ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর এক শতাংশ ভোটার তালিকায় অসামঞ্জস্যতা ধরা পড়ায় বাতিল বলে গণ্য হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু রেজা হাসান জানান, 'প্রার্থীরা চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।'
মনোনয়নপত্র
বাতিল হওয়ার পর বিএনপি'র স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা বলেন, 'আমার
মনোনয়ন পত্রের বিষয় সিদ্ধান্তটি এখনো স্থগিত রেখেছেন- যে কারনে বাতিল বলে
ঘোষণা করা হয়েছে আমরা তা ঠিক নয় বলে প্রমান করবো। প্রয়োজনে কমিশনে আপিল
করবো।'
এদিকে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী রশিদ আহমেদ হোসাইনীর মনোনয়ন
বাতিল হওয়ার পর তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম এর পাশে দাঁড়িয়ে
ধানের শীষের জন্য ভোট চাইতে দেখা গেছে।
এসময় তিনি বলেন, 'তারেক জিয়ার
হাতকে শক্তিশালী করার জন্য ধানের শীষে মার্কাতেই ভোট দিতে হবে।' কিন্তু এর
আগে তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে
গিয়ে স্বতন্ত্র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেন।
কুমিল্লা-৯ আসনে যারা
বৈধ ও বাতিল ঘোষণা হয়েছেন তারা হলেন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ)
বিএনপির আবুল কালাম (বৈধ), জামায়াতের ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী
(বৈধ), স্বতন্ত্র সামিরা আজিম দোলা (বাতিল) ও রশিদ আহমেদ হোসাইনী (বাতিল),
জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল (বাতিল), ইসলামী আন্দোলনের সেলিম
মাহমুদ(বৈধ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর সিদ্দিক(বৈধ), বাংলাদেশ
সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী(বৈধ), বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিসের মো. মাহবুবুর রহমান(বাতিল), খেলাফত মজলিসের আবদুল হক আমিনী(বাতিল,)
স্বতন্ত্র ইয়াছির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক (বাতিল), মোহাম্মদ মফিজুর রহমান
(বাতিল), মোহাম্মদ আবুল কাশেম।
