
কুমিল্লায়
১১টি সংসদীয় আসনে মোট ৩১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং
কর্মকর্তা। ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। শনিবার মনোনয়নপত্র
যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে কুমিল্লা-৭ থেকে কুমিল্লা-১১ আসনের মনোনয়নপত্র
যাচাই-বাছাই করে ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষিত হয়।
শুক্রবার
কুমিল্লা-১ থেকে কুমিল্লা-৬ আসনে যাচাই-বাছাইয়ে ১৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল
হয়। তবে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে
আপিল করতে পারবেন প্রার্থীরা।
এদিকে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল
হয়েছে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে; এই আসনে ১৩টি মনোনয়নপত্রের
মধ্যে আটটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, “কুমিল্লায় মোট ১০৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।”
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা):
বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বৈধ), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী
কমিটির সদস্য খন্দকার মারুফ হোসেন (বৈধ), জামায়াতে ইসলামীর মনিরুজ্জামান
বাহলুল (বৈধ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ (বৈধ), খেলাফত মজলিসের
সৈয়দ আব্দুল কাদের (জামাল) (বৈধ), জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেকার আহসান
(অবৈধ), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবুল কালাম (বৈধ), এবি পার্টির
মো. শফিউল বাসার (বৈধ), জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমান (অবৈধ), স্বতন্ত্র ওমর
ফারুক (অবৈধ), কাজী মো. ওবায়েদ (অবৈধ) ও আবু জায়েদ আল মাহমুদ (অবৈধ)।
কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস):
বিএনপির
কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া (বৈধ), জামায়াতে
ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য নাজিম উদ্দিন মোল্লা (বৈধ), জাতীয়
পার্টি মো. আমির হোসেন ভূঁইয়া (বৈধ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ
আশরাফুল আলম (বৈধ), ইসলামীক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আব্দুস সালাম (অবৈধ),
বাংলাদেশ ইসলামী ফন্ট্রের আবদুস সালাম (বৈধ), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো.
শাহাব উদ্দিন (অবৈধ), স্বতন্ত্র আবদুল মতিন (‘বিএনপি বিদ্রোহী’) (বৈধ), মো.
রমিজ উদ্দিন (অবৈধ) ও মো. মনোয়ার হোসেন (অবৈধ)।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর):
বিএনপির
ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বৈধ), জামায়াতে ইসলামীর
মোহাম্মদ ইউসুফ সোহেল (অবৈধ), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম, ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আবদুল কাইয়ুম (বৈধ), এনডিএম এর রিয়াজ মো. শরীফ
(বৈধ), আমজনতার দল চৌধুরী রকিবুল হক (বৈধ), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের
মো. শরীফ উদ্দিন সরকার (বৈধ), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. এমদাদুল হক
(বৈধ) ও গণঅধিকার পরিষদের মো. মনিরুজ্জামান (অবৈধ)।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার):
বিএনপির
মনজুরুল আহসান মুন্সী (বৈধ), এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো. আবুল
হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ) (বৈধ), গণঅধিকার পরিষদ মো. জসিম উদ্দিন (বৈধ),
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ম. আ. করিম (স্থগিত), আমজনতার দল মো. মাসুদ রানা
(অবৈধ), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের গাজী ইরফানুল হক সরকার (বৈধ), খেলাফত
মজলিসের মোহাম্মদ মজিবুর রহমান (বৈধ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোফাজ্জল
হোসেন (অবৈধ)।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া):
বিএনপির মো. জসিম
উদ্দিন (বৈধ), জামায়াতে ইসলামীর মো. মোবারক হোসেন (বৈধ), এবি পার্টির
ব্যারিস্টার জোবায়ের আহমেদ (বৈধ), জেএসডির শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ মুসলিম
লীগের আবুল কালাম ইদ্রীস (বৈধ), জাতীয় পার্টির এমরানুল হক (বৈধ), ইনছানিয়াত
বাংলাদেশের তানজিল আহমেদ (বৈধ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাশেদুল ইসলাম
(বৈধ), এনপিপির মো. আবুল বাশার ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল
কাফি (অবৈধ)।
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর উপজেলা, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস):
বিএনপির
মনিরুল হক চৌধুরী (বৈধ), জামায়াতে ইসলামীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (বৈধ),
স্বতন্ত্র হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন (‘বিএনপি বিদ্রোহী’) (বৈধ), বাংলাদেশ
ইসলামী ফ্রন্টের মো. মাসুম বিল্লাহ (বৈধ), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো.
ইয়াছিন (বৈধ), এবি পার্টির মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক (বৈধ), জেএসডির ওবায়দুল
কবীর মোহন (বৈধ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. হারুনুর রশিদ (বৈধ),
মুক্তি জোটের মো. আমির হোসেন ফরায়েজী (অবৈধ), বাসদের কামরুন নাহার সাথী
(অবৈধ) ও গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন (বৈধ)।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা):
বিএনপির
রেদোয়ান আহমেদ (বৈধ), চান্দিনা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির
মাওলানা মোশারফ হোসেন (বৈধ), স্বতন্ত্র আতিকুল আলম শাওন (বৈধ), ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা এতেশামুল হক (বৈধ), মুক্তি জোটের সজল কুমার কর
(বাতিল), খেলাফত মজলিসের সোলাইমান খাঁন (বৈধ), স্বতন্ত্র মাওলানা সালেহ
সিদ্দিকী (বাতিল)।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া):
বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন
(বৈধ), জামায়াতের সফিকুল আলম হেলাল (বৈধ), জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম মিলন
(বাতিল), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. মফিজ উদ্দিন (বৈধ), সুপ্রিম
পার্টির মো. গোলাম মোর্শেদ (বৈধ), বাসদের মোহাম্মদ আলী আশরাফ (বাতিল),
জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান (বৈধ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. গোলাম
সাদেক (বৈধ), খেলাফত মজলিসের মো. জোবায়ের হোসেন (বৈধ), ইসলামী ঐক্যজোটের
আবদুল কাদের (বৈধ)।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ):
বিএনপির আবুল
কালাম (বৈধ), জামায়াতে ইসলামীর ড. সৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী
(বৈধ), স্বতন্ত্র সামিরা আজিম দোলা (বাতিল) ও রশিদ আহমেদ হোসাইনী (বাতিল),
জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল (বাতিল), ইসলামী আন্দোলনের সেলিম মাহমুদ
(বৈধ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর সিদ্দিক (বৈধ), বাংলাদেশ
সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী (বৈধ), বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিসের মো. মাহবুবুর রহমান (বৈধ), খেলাফত মজলিসের আবদুল হক আমিনী (বাতিল),
স্বতন্ত্র ইয়াছির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক (বাতিল), মোহাম্মদ মফিজুর রহমান
(বাতিল), মোহাম্মদ আবুল কাশেম (বৈধ)।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই):
বিএনপির
আবদুল গফুর ভুঁইয়া (বৈধ), স্বতন্ত্র মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া(‘বিএনপির
বিদ্রোহী’ বাতিল), জামায়াতে ইসলামীর মো. ইয়াছিন আরাফাত (বৈধ), বাংলাদেশ
সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী নুর আলম সিদ্দিকী (বৈধ), আমজনতা দলের
আবদুল্লাহ আল নোমান (বৈধ), বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাসান আহমেদ (বৈধ), গণঅধিকার
পরিষদের রমিজ বিন আরিফ (বৈধ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামছুদ্দোহা
(বৈধ), স্বতন্ত্র মোস্তফা সাজ্জাদ হাসান (বাতিল)।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম):
জামায়াতের
ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (বৈধ), বিএনপির কামরুল হুদা (বৈধ),
বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ ফ ম আবদুর রহিম (বৈধ), জাতীয় পাটির মো. মাইন উদ্দিন
(বৈধ), গণফ্রন্টের আলমগীর হোসেন (বৈধ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের
মহিউদ্দিন শহিদ (বৈধ), মুক্তিজোটের মোহাম্মদ ইউসুফ (বৈধ) ও স্বতন্ত্র মো.
তৌহিদুল ইসলাম (বাতিল)।
