শুক্রবার ২ জানুয়ারি ২০২৬
১৯ পৌষ ১৪৩২
নেক সন্তানের মাধ্যমে মা-বাবার পরকালের জীবন যেভাবে সুন্দর হয়
প্রকাশ: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম |


নেক সন্তান আল্লাহ তায়ালার দেওয়া অন্যতম নেয়ামত। নেক সন্তানের মাধ্যমে মা-বাবা শুধু দুনিয়াতে শান্তির জীবন লাভ করেন না, বরং পরকালেও মা-বাবার কবরের জীবন সুন্দর হয়। 
হজরত আবু হুরাইয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যখন কোনো ব্যক্তি মারা যায়, তখন তার আমলের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল কখনো বন্ধ হয় না। এক, সদকায়ে জারিয়া, দুই, ওই ইলম যা দ্বারা অন্যরা উপকৃত হয়, তিন, নেককার সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে। (সহিহ মুসলিম: ১৬৩১, সুনামে আবু দাউদ: ২৮৮০) 
মৃত্যুর পরবর্তী জীবন খুব কঠিন। পৃথিবীর কোনো ধন-সম্পত্তি, ঐশ্বর্য কাজে আসবে না কবরের জীবনে। কেউ চাইলেই নিজের ভুলগুলো সংশোধন এবং আমল বাড়িয়ে হাশরের ময়দানে নাজাতের ব্যবস্থা করতে পারবে না। কিন্তু, মৃত্যুর পরও তিনটি পদ্ধাতি আমল জারি থাকে। 
এই তিনটি আমলের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নেককার সন্তান। 
আল্লাহতায়ালা পবিত্র আল-কোরআনে পৃথিবীর সকল সন্তানদের তাদের বাবা-মার জন্য তিনটি দোয়া শিখিয়েছেন। বাবা-মা জীবিত কিংবা মৃত্য যে অবস্থায় থাকুক না কেন, প্রত্যেক সন্তানের দ্বায়িত্ব হলো প্রতিদিন এ দোয়াসমূহ পাঠ করা। 
মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া
এ দোয়াসমূহ হলো, এক. রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা। অর্থ: (হে আমাদের) পালনকর্তা ! তাদের উভয়ের প্রতি দয়া কর, যেভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন। (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ২৪) 
দুই. রাব্বানাগফিরলি ওয়ালিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিমান দাখালা বাইতিয়া মুমিনাও জ্বালিমিনা ইল্লা তাবারা। অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে, আমার বাবা-মাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন এবং আপনি জালেমদের ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না। (সুরা নূহ, আয়াত :২৮) 
তিন. রাব্বানাগফিরলি ওয়ালিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিলুমুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব। 
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার বাবা-মাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। (সুরা ইব্রাহিম: ৪১) এই দোয়াগুলাতে রয়েছে সন্তান-সন্ততি ও মুমিন নারী-পুরুষ সবার জন্য কল্যাণকর।
প্রত্যেক বাবা-মায়ের উচিত আল্লাহ তায়ালার কাছে নেককার সন্তানের জন্য দোয়া করা। হযরত জাকারিয়া আলাইহিস সালামের নেক সন্তান চাওয়ার পদ্ধতিটি আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় ছিল। হযরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার পর আল্লাহর নিকট বলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস দানকারী (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ৮৯)।













http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কোটি টাকার দৌড়ে কুমিল্লার প্রার্থীরা কে কত এগিয়ে
স্ত্রীর চেয়ে সম্পদ কম মঞ্জুরুল মুন্সীর
বছরের প্রথম দিনের উপহার টেলিস্কোপে চাঁদ সূর্য দেখা
দাউদকান্দি সেতুর নিচে উদ্ধারকৃত টাইম বোমা নিষ্ক্রিয়
ভিপি জহিরুল হক মিঠুনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
জানাজায় ইমামতি করেন কুমিল্লারমুফতি আব্দুল মালেক
কুমিল্লায় খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা
তারেক রহমানকে চিঠি, নতুন সূচনার প্রত্যাশা নরেন্দ্র মোদীর
চিরনিদ্রায় খালেদা জিয়া
দেশে এমন জানাজা আগে দেখেনি কেউ:
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২