শিক্ষামন্ত্রী
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, যেসব শিক্ষকরা বিগত ২০ বছর ধরে গ্রামের
শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে এসেছেন, তাদেরকে আবারও গ্রামে পাঠানো হবে। কেননা
গ্রামের শিক্ষক সংকট থাকবে আর সবাই শহরে এসে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শিক্ষকতা
করবে, সেটা হতে পারে না।
তিনি বলেন, শিক্ষায় গ্রামাঞ্চল অনগ্রসর থাকতে
পারে না। ৬০ হাজার শিক্ষক সংকট নিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চলছে। এভাবে
শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। তাই পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার
(২৪ জুন) বিকেলে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের অডিটোরিয়ামে যশোর মাধ্যমিক ও
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথিরর বক্তব্যে
মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের কী কী
সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে, কোন কোন কারণে শিক্ষার মান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে; সেসব
বিষয় চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছরের
মাধ্যমিক পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। সামনের বছর থেকে মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডেও অভিন্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা
অনুষ্ঠিত হবে।’
অভিন্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,
‘সব শিক্ষাবোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা হবে। প্রশ্ন ফাঁস হতে দেওয়া হবে না।
কেউ প্রশ্ন ফাঁস করলে এবং গুজব তৈরি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।’
সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি
মো. রেজাউল হক, কেএমপি কমিশনার মো. জাহিদুল হাসান, কেসিসির প্রশাসক নজরুল
ইসলাম মঞ্জু, কেডিএর চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা, জেলা প্রশাসক হুরে
জান্নাত, এসপি মো. তাজুল ইসলামসহ যশোর শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদরাসা
শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন খুলনা অঞ্চলের
কেন্দ্র সচিবরা অংশ নেন।
