
ফ্রান্সের
বিপক্ষে হারের জন্য দলের ‘নিষ্ক্রিয়’ রক্ষণভাগকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন
সেনেগাল কোচ পাপ চাও। এই জায়গায় উন্নতির প্রয়োজন দেখছেন তিনি। তার মতে,
আক্রমণে ওঠা প্রতিপক্ষকে আরও চাপে রাখতে হবে তাদের।
নিউ জার্সিতে
মঙ্গলবারের ম্যাচে প্রথমার্ধে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে আটকে রাখতে
পারে সেনেগাল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেই হারিয়ে ফেলে তারা। কিলিয়ান এমবাপের
জোড়া গোলে শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে হেরে যায় আফ্রিকার দলটি।
৬৬তম
মিনিটে ম্যাচে ‘ডেডলক’ ভাঙেন এমবাপে। মাইকেল ওলিসের পাস বক্সে পেয়ে প্রথম
স্পর্শে আলতো শটে গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে জালে পাঠান ফরাসি তারকা। একটু পরই
ফ্রান্সের জালে বল পাঠায় সেনেগাল, কিন্তু অফসাইডের জন্য গোল মেলেনি।
শেষ
দিকে বদলি নামার দুই মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বার্কোলা।
কিছুক্ষণ পর একটি গোল শোধ করে নাটকীয়তার আভাস দেয় সেনেগাল। কিন্তু পরের
মিনিটেই এমবাপের দ্বিতীয় গোলে কেটে যায় ফরাসিদের অনিশ্চয়তা।
ম্যাচ শেষে দলের রক্ষণভাগের পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তুষ্টি ঝরে চাওয়ের কণ্ঠে।
“কিছু
ভুল হয়েছে, সেগুলো সম্মিলিত ভুল। মাঝেমধ্যে আমাদের রক্ষণভাগ অনেক নিচে
নেমে গেছে এবং মাঠে খুবই নিষ্ক্রিয় ছিল। বল নিয়ে আক্রমণে ওঠা প্রতিপক্ষের
খেলোয়াড়ের ওপর আমাদের আরও চাপ দিতে হবে, যাতে এমন পাস দিতে না পারে (যেগুলো
থেকে ফ্রান্স গোল করেছে)।”
পরের ম্যাচে আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকালে নরওয়ের মুখোমুখি হবে সেনেগাল। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ইরাক।
হার
দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলেও, পরের ধাপে যাওয়ার আশা ছাড়ছেন না সেনেগাল কোচ
চাও। গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে এখন পূর্ণ মনোযোগ দিতে চান তিনি।
“খেলোয়াড়দের
আবার মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে হবে। অনেক দিন পর এই দল কোনো টুর্নামেন্টের
প্রথম ম্যাচে হারল। তবে আমাদের সামনে এখনো দুটি ম্যাচ বাকি আছে এবং (পরের
রাউন্ডে যাওয়ার) এখনও সুযোগ রয়েছে। পরের ম্যাচ থেকে পুরো ৩ পয়েন্ট পেতে
শতভাগ মনোযোগী হতে হবে।”
