নিজস্ব
প্রতিবেদক: কুমিল্লা শালবন বিহারে প্রদর্শিত হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে খননে
প্রাপ্ত প্রত্নবস্তু। এসব পূরাকীর্তির ধ্বংসাবশেষ এর আগে কোথায় প্রদর্শিত
হয় নি বলে জানিয়েছে শালবন বিহার ও ময়নামতি যাদুঘর কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকালে
শালবন বিহার প্রাঙ্গণে প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক সাবিনা আলম। এসময় উপস্থিত ছিলে অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট
অঞ্চলের পরিচালক ড৷ নাহিদ সুলতানা, ময়নামতি যাদুঘরের কাস্টোডিয়ান শাহীন
আলম।
সিলেট জেলার জরিপ থেকে প্রাপ্ত জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ, সদর ও
গোয়াইনঘাট এবং কুমিল্লার বালাগাজী মূড়া থেকে প্রাপ্ত প্রত্নবস্তু এখানে
প্রদর্শিত হচ্ছে। শিবলিঙ্গ, মাটির পাত্র, টেরাকোটা, মূর্তি, দেয়ালের অংশ
বিশেষসহ শতাধিক প্রত্নবস্তু প্রদর্শিত হচ্ছে।
ফিল্ড অফিসার সজিব মিয়া ও
গবেষণা সহকারী মোঃ ওমর ফারুক জানান, সিলেট ও কুমিল্লার বিভিন্ন প্রত্ন
ক্ষেত্র থেকে পাওয়া প্রত্নবস্তুগুলো প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হচ্ছে। খননে
পাওয়া এসব বস্তুর বয়স আনুমানিক এক হাজার বছর।
সকালে কোটবাড়ি সালমান পুর
এলাকার রহমানিয়া মডেল স্কুলের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী ২১ জন শিক্ষার্থীকে
বিনামূল্য এসব প্রত্নবস্তু দেখানো হয়। এসময় তাদেরকে শালবন বিহার ও
আশেপাশের এলাকার হাজারো বছরের ইতিহাস বর্ননা করা হয়। পরে তাদের ময়নামতি
যাদুঘর ঘুরিয়ে দেখানো হয়।
প্রদর্শনীতে আসা ঐতিহ্য কুমিল্লার সভাপতি
জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল বলেন, আয়োজনটি ইতিহাসপ্রেমী ও নতুন প্রজন্মের জন্য
খুবই সময়োপযোগী। আমরা আশা করি প্রতিবছর এই প্রত্নবস্তুর প্রদর্শনী আরো বড়
পরিসরে হবে। এছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলের প্রত্নক্ষেত্রগুলো আরো উন্মোচনের
মাধ্যমে নতুন নতুন ইতিহাসের উন্মোচন হবে।
