নিজস্ব
প্রতিবেদক: ২৬ ঘণ্টা পর নিখোঁজ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী
আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি জিসান আহমেদ
প্রধান উদ্ধার করা হয়েছে। কুমিল্লার একটি খেলার মাঠ থেকে অজ্ঞান অবস্থায়
উদ্ধারের পর তাকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে
দাউদকান্দি মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. সামছুল আলম প্রধান।
তিনি বলেন, ছাত্রশিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। আপাতত হাসপাতালে আছে।
কালকে ঘটনার বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।
এ বিষয়ে
ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক ও ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেন,
নিখোঁজের ২৬ ঘন্টা পর কুমিল্লার লাকসাম জংশন থেকে তাকে অজ্ঞান অবস্থায়
উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তাকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করছেন।
এর আগে গতকাল (১১ জুন)
রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ শেষে বের হওয়ার পর থেকে
জিসান নিখোঁজ হন। ঘটনার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে অবহিত করা হয়।
তবে কোনো ফল না পাওয়ায় আজ ভোরে পরিবারের সদস্যরা পুনরায় থানায় যান। দীর্ঘ
সময় অপেক্ষার পর সকাল ৯টায় তারা পুলিশের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
উদ্ধারের বিষয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলেও পুলিশ দায়সারা
আচরণ করে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকে বলে অভিযোগ করে শিবির।
দাউদকান্দি
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর যুববিভাগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান আরিফ
বলেন, জিসান ঢাকা থেকে দাউদকান্দিতে এসে মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়
করেন। পরে তার উপজেলার বিরবাগগোয়ালী গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু
তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। আমরা তার দ্রুত সন্ধান এবং প্রশাসনের সর্বাত্মক
সহযোগিতা কামনা করছি।
জিসান প্রধানের বড় ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহাম্মেদ
বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু এশার নামাজের পর
থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টও
ডিঅ্যাকটিভ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এখন
পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
