
এক
সতীর্থের ইনজুরি কীভাবে অন্য সতীর্থের সৌভাগ্যের দরজা খুলে দেয়, সেটাই
দেখলো ফুটবল বিশ্ব। বার্সেলোনার মিডফিল্ডার ফের্মিন লোপেজের হঠাৎ পায়ের হাড়
ফেটে যাওয়ার ঘটনায় ওলটপালট করে দিয়েছিল স্পেনের বিশ্বকাপ পরিকল্পনা। আর
ঠিক এই সংকটময় মুহূর্তেই কপাল খুলে গেছে বার্সার আরেক তরুণ ফুটবলার গঞ্জালো
গাভির।
গুরুতর হাঁটুর ইনজুরি কাটিয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসেই কেবল
প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে মাঠে ফিরেছিলেন গাভি। তবে বিশ্বকাপের মতো মহোৎসবের
আগে তিনি কতটা ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাবেন, তা নিয়ে নির্বাচকদের মনে কিছুটা
সংশয় ছিল। কিন্তু রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ম্যাচে ফের্মিন লোপেজ ছিটকে যাওয়ার
পর মাঝমাঠ সামলানোর জন্য গাভির ওপরই শতভাগ ভরসা রাখতে বাধ্য হন দে লা
ফুয়েন্তে।
মার্চে ফেরার পর লা লিগায় বার্সেলোনার হয়ে রিয়াল মাদ্রিদ এবং
ভালেন্সিয়ার বিপক্ষে টানা ৯০ মিনিট দাপটের সাথে খেলে নিজের পূর্ণ ফিটনেসের
প্রমাণ দিয়েছেন ২১ বছর বয়সী গাভি।
দে লা ফুয়েন্তের দলে গাভির উপস্থিতি
স্পেনের মাঝমাঠের আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক দুই বিভাগেই এক বাড়তি
প্রাণশক্তি এনে দেবে। ফলে ফের্মিনের অনুপস্থিতি ইউরোজয়ী স্পেনের জন্য বড়
ক্ষতি হলেও, তা গাভির জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ করে
দিয়েছ
স্পেনের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড:
গোলকিপার: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া ও জোয়ান গার্সিয়া।
ডিফেন্ডার:
মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, পাউ কুবারসি, আইমেরিক লাপোর্তে,
মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্কোস ইয়োরেন্তে ও পেড্রো।
মিডফিল্ডার: পেদ্রি, ফ্যাবিয়ান রুইজ, মার্টিন জুবিমেন্ডি, গাভি, রদ্রিগো হার্নান্দেজ (রদ্রি), অ্যালেক্স বায়েনা ও মিকেল মেরিনো।
ফরোয়ার্ড:
মিকেল ওয়ারজাবাল, দানি অলমো, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, ফেররান
তোরেস, বোর্হা ইগলেসিয়াস, ভিক্টর মুনোজ ও লামিন ইয়ামাল।