শিক্ষা
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আদালতে ‘প্রায় ১৩ হাজার’
মামলা বিচারাধীন থাকার কথা বলেছেন মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, মামলা জটিলতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না।
সোমবার
বিকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আদালতে
(শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাত নিয়ে) প্রায় ১৩ হাজার মামলা আটকে আছে।
এই মামলার জট কীভাবে খুলব? মানে কী করা যাবে বলেন? কিছুটা সময় দেন।”
সরকারি
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রসঙ্গ টেনে এহছানুল হক মিলন
বলেন, “আমাদের ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক হাই কোর্টে আটকে আছে, ওদেরকে ‘প্রমোশন’
দিতে পারছি না।
“আবার ৩২ হাজার নিতে (নতুন নিয়োগ দিতে) পারছি না। এদিকে ৭৭ হাজার শিক্ষক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে নিতে হবে। কাজ চলছে।”
১৮০
দিনের মধ্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হয়ে
যাবে আশা প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “টাইম ফ্রেইম হচ্ছে ১৮০ দিনের
ভেতরে। সবগুলো দেখবেন যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এই শুরু হওয়াটাই হচ্ছে আমাদের
প্রথম ধাপ।
“গাছ একবার লাগালে ফল দিতেই থাকবে। আমরা চাচ্ছি যে শুরুতে
যেন আমাদের গতিটা বেশি থাকে। আমাদের কর্ম পরিসর যেন অনেক ব্যাপক থাকে।
শুরুটা যদি ভালো হয়, তারপর আমরা আস্তে আস্তে শেষের দিকে চাপমুক্ত থাকব। আর
প্রথম থেকে বেশি (কাজ) করব।”
কওমি মাদ্রাসার জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কাজের অংশ হিসেবে অংশীজনদের সঙ্গে সভা করেছেন বলেও তুলে ধরেন এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, “সবগুলোর সাথে কাজ এগিয়ে চলছে। ফল তো আর একদিনে পাওয়া যাবে না। বড় মন্ত্রণালয় অনেক কাজ, দেখতেছেন তো।”
