প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৮ এএম আপডেট: ২৩.০৪.২০২৬ ১:২৮ এএম |
ইসমাইল নয়ন।।
সৃজনশীলতা
আর উদ্ভাবনী মেধার জোরে কুমিল্লা জেলা পর্যায়ে বাজিমাত করেছে ব্রাহ্মণপাড়া
ওশান হাই স্কুল। ‘উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’—এই
প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে
জেলার ১৭টি উপজেলাকে পেছনে ফেলে প্রকল্প উপস্থাপনায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব
অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
গত সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লা জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ
তুলে দেওয়া হয়। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে এবং
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এই মেলার আয়োজন করে জেলা
প্রশাসন।
প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাছাইকৃত মেধাবী
শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো প্রদর্শন করে। তীব্র
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আসরে ওশান হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা এমন এক
প্রকল্প উপস্থাপন করে, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিবেশবান্ধব
চিন্তার চমৎকার সমন্বয় ছিল। বিচারক প্যানেলের মতে, প্রকল্পটির বাস্তবমুখী
প্রয়োগযোগ্যতা এবং শিক্ষার্থীদের সাবলীল উপস্থাপনা তাদের অন্যদের চেয়ে
এগিয়ে রেখেছে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান। তিনি বিজয়ীদের
অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই গড়ে উঠবে স্মার্ট ও
বিজ্ঞাননির্ভর বাংলাদেশ। জেলা পর্যায়ের এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের আগামী দিনে
আরও বড় অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।
এ অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। ওশান হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির বলেন,
"এই
অর্জন আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা ও শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রমের ফসল। আমরা
সবসময়ই ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণাধর্মী কাজে উৎসাহিত করি। আমাদের প্রত্যাশা,
তারা জাতীয় পর্যায়েও কুমিল্লার নাম উজ্জ্বল করবে।"
জেলা পর্যায়ে
শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পর ওশান হাই স্কুলের এই বিজয়ী দলটি এখন জাতীয় পর্যায়ে
অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
বিজ্ঞানের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে তারা শিক্ষার্থীদের সব ধরনের
কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রশাসনের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিজ্ঞান
অনুরাগী ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।