
বাংলাদেশ
ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) চলমান মৌসুমে নিয়ম করেছিল একটি ক্লাব সর্বাধিক ৫
জন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলার নিবন্ধন করতে পারবে এবং তারা বাংলাদেশি খেলোয়াড়
হিসেবেই খেলতে পারবেন। বিদেশি কোটার ক্ষেত্রে তাদের নিবন্ধন প্রয়োজ্য হবে
না।
আগামী মাসে শেষ হতে যাওয়া ২০২৫-২৬ মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ার ১৮ জন
ফুটবলার বাংলাদেশ ফুটবল লিগে নাম লেখালেন। স্থানীয় ফুটবলাররা আগামী মৌসুমে
এই কোটা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির ব্যানারে
বুধবার এক দল স্থানীয় ফুটবলার বাফুফে সভাপতি বরাবর চিঠি দিয়ে সাফের কোটা
বাতিলসহ ৬টি দাবি করেছেন। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের পক্ষে খেলোয়াড়দের
চিঠি গ্রহণ করেছেন সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।
ফুটবলারদের অন্য
পাঁচ দাবি হচ্ছে- বিদেশি খেলোয়াড়ের কোটা কমানো, স্থানীয় খেলোয়াড়দের জন্য
অধিক খেলার সুযোগ নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে স্থানীয়
খেলোয়াড়দের মান উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা, লিগে দলের সংখ্যা বৃদ্ধি ও
খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তার দায়িত্ব ফেডারেশনের নেওয়া।
বাফুফে সভাপতির
কাছে চিঠি দেওয়ার পর স্থানীয় ফুটবলাররা খুব শীঘ্রই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন
করে দাবি দাওয়া উপস্থাপন করবেন বলেও জানিয়েছেন।
সিনিয়র খেলোয়াড়
মোহামেডানের ডিফেন্ডার রহমত মিয়া বলেছেন, ‘সাফের কোটা থাকায় আমাদের স্থানীয়
তরুণ খেলোয়াড়দের খেলার সুযোগ কমে গেছে। আমরা এই দাবি নিজেদের জন্য করিনি।
তরুণদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে করেছি। আমরা অন্য দেশের খেলোয়াড়দের খেলাচ্ছি।
অন্য দেশের ক্লাবে কিন্তু আমাদের দেশের খেলোয়াড়রা খেলার সুযোগ পাচ্ছে না।
সাফের খেলোয়াড়দের বিদেশি কোটায় খেলালে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তারা বিদেশি
হয়েও দেশি কোটায় খেললে আমাদের আপত্তি।’
চলতি মৌসুমে সাফের কোটায়
সর্বাধিক আটজন পাকিস্তানের খেলোয়াড় নিবন্ধন করেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারজন
ভুটানের। এ ছাড়া নেপালের তিনজন, ভারতের দুইজন ও শ্রীলংকার একজন খেলোয়াড়
বাংলাদেশ ফুটবল লিগে নাম লিখিয়েছেন।
