
গত
এশিয়া কাপ আরচ্যারিতে রিকার্ভ একক ইভেন্টে স্বর্ণ জিতেছিলেন আব্দুর রহমান
আলিফ। এবার থাইল্যান্ডে বিদায় নিয়েছেন কোয়ার্টার থেকেই। একক ইভেন্টে নারী
পুরুষ কেউই পদকের লড়াইয়ে নেই। তবে কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টের ফাইনালে
উঠেছে বাংলাদেশ। আাগমীকাল রিকার্ভ এবং কম্পাউন্ড মিশ্র দলগত ইভেন্টের খেলায়
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বাংলাদেশ।
এশিয়া কাপ ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং
টুর্নামেন্টের স্টেজ-১ কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে কোয়ার্টার ফাইনালে
বাংলাদেশ (নেওয়াজ আহমেদ রাকিব, হিমু বাছাড় ও ঐশ^র্য্য রহমান) এবং
মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৩১-২৩১ স্কোরে ড্র হয়। পরবর্তীতে উভয় দলের
প্রত্যেকে একটি করে তীর ছুড়ে, এতে বাংলাদেশের স্কোর হয় ৩০ এবং মালয়েশিয়ার
স্কোর হয় ২৭। ফলে বাংলাদেশ জয় লাভ করে সেমিফাইনালে উঠে।
সেমিফাইনালে
বাংলাদেশ ২৩২-২২৮ স্কোরে ভুটানকে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হয়।
স্বর্ণ পদকের লড়াইয়ে আগামী শুক্রবার ভিয়েতনামের বিপক্ষে খেলবে লাল-সবুজের
প্রতিনিধিরা।
রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টে ১/৮ খেলায় বাংলাদেশ (মো. রাকিব
মিয়া, আব্দুর রহমান আলিফ ও রামকৃষ্ণ সাহা) ৬-২ সেটে ভিয়েতনামকে পরাজিত করে
কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়। কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ ০-৬ সেটে
কাজাখস্তানের কাছে হেরে যায়। আর কম্পাউন্ড মহিলা দলগত ইভেন্টে কোয়ার্টার
ফাইনালে বাংলাদেশ (মোসা: কুলসুম আক্তার মনি, বন্যা আক্তার ও জোমা আক্তার)
২২৯-২৩০ স্কোরে থাইল্যান্ডের নিকট পরাজিত হয়।
কম্পাউন্ড মহিলা একক
ইভেন্টে ১/৮ খেলায় বাংলাদেশের মোসা. কুলসুম আক্তার মনি ১৪৫-১৪২ স্কোরে
থাইল্যান্ডের ‘মানিসোমবটকুল কন্যাভীকে পরাজিত করে কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত
হন। কোয়ার্টার ফাইনালে ১৪৩-১৪৭ স্কোরে চেরকেজোভার নিকট পরাজিত হন তিনি।
অন্যদিকে
রিকার্ভ পুরুষ একক ইভেন্টে ১/৮ খেলায় বাংলাদেশের মো. রাকিব মিয়া ০-৬ সেটে
কাজাখস্তানের কারিমভ দাস্তানের কাছে, রামকৃষ্ণ সাহা ২-৬ সেটে ভারতের গুপ্তা
দেবাঙ্গর কাছে এবং আব্দুর রহমান আলিফ ৩-৭ সেটে চায়নার ইয়াং জিয়াবিংর কাছে
হেরে হন। কম্পাউন্ড পুরুষ একক ইভেন্টে ১/৮ খেলায় বাংলাদেশের নেওয়াজ আহমেদ
রাকিব ১৪৩-১৪৫ স্কোরে মালয়েশিয়ার মাজুকি মোহাম্মদ জুয়াইদির নিকট পরাজিত হন।
আর বাংলাদেশের হিমু বাছাড় ১৪৮-১৪৬ স্কোরে ভিয়েতনামের ‘ড্যাং কং ডাককে
পরাজিত করে কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হন। তবে সেরা আটের লড়াইয়ে ১৪৬-১৪৭
স্কোরে ভারতের কাম্বোজ উদয়ের কাছে পরাজিত হন তিনি।
