শুক্রবার ১৭ এপ্রিল ২০২৬
৪ বৈশাখ ১৪৩৩
তিতাসে গোমতী নদীর ভাঙ্গনরোধে জিও ব্যাগ ফালানোতে গাফলতির অভিযোগ
কবির হোসেন, তিতাস
প্রকাশ: রোববার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৭ এএম আপডেট: ১২.০৪.২০২৬ ১:২৯ এএম |



 তিতাসে গোমতী নদীর ভাঙ্গনরোধে জিও ব্যাগ ফালানোতে গাফলতির অভিযোগ কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া এলাকায় গোমতী নদী পাড়ের বাড়ী ঘর ভাঙন রোধে জিওব্যাগ তৈরী এবং ফালানোর কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ জিও ব্যাগ তৈরিতে বালুর সঙ্গে সিমেন্ট না দিয়েই কাজ করেছে। আবার ১৫ হাজার ব্যাগের স্থলে ৫ হাজার ৭০০ ব্যাগ ফেলেই চলে গেছে ঠিকাদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর বর্ষার শুরু এবং শেষের দিকে প্রায় ৩০ বছর ধরে গোমতী নদীর নারান্দিয়া অংশে ভাঙন চলমান। এতে প্রতিবছর দুই পাড়ের অন্তত কয়েক শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাঙ্গনে অনেকের বসত বাড়ী ঘর বিলীন হয়ে গেছে।২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিতাস উপজেলার দক্ষিন নারান্দিয়া গ্রামে ২০০ মিটার এলাকা ভাঙন রোধে কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি প্রকল্প হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে। ওই কাজের দায়িত্ব দেয় কুমিল্লার জনৈক ঠিকাদারকে। প্রকল্প অনুযায়ী ১৫ হাজার জিও ব্যাগ ভাঙ্গনস্থানে বসানোর কথা থাকলেও পর্যন্ত ৫ হাজার ৭০০ ব্যাগ বসানো হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সরেজমিনে গেলে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা হাবিবুল্লাহ ভুইয়া, আবুল বাসার,কাউছার আহমেদ ও মুর্শিদ মুন্সি বলেন, ১৫হাজার ব্যাগের মধ্যে ৫ হাজার ৭০০ ব্যাগ কোনরকমে ফেলে ঠিকাদার চলে গেছে। যেগুলো ফালাইছে সেগুলোতে সিমেন্ট দেয়নি। এখন বর্ষা শুরু হলে আমাদের ঘর বাড়ী মনে হয় আর রক্ষা করতে পারবোনা। কে ঠিকাদার আমরা জানিনা? আমাদের নারান্দিয়া গ্রামের সাবেক মেম্বার মফিজ উদ্দিন ও নজরুল ইসলামকে কাজটি দেখাশোনা করতে দেখেছি।
ভুক্তভোগী দক্ষিণ নারান্দিয়া গ্রামের মৃত কাদির মাস্টারের ছেলে কাউসার আহম্মেদ বলেন, শুধু বালু ভর্তি ৫ হাজার ৭০০ জিও ব্যাগ ফালাইছে। নদীর পাশে কোন রকমের প্রোটেকশন খুঁটি বা বেড়া দেয়া হয়নি। আমি কুমিল্লা ফোন দিয়ে জেনেছি, ১৫ হাজার ব্যাগ ফালানোর কথা। এখন বর্ষা শুরু হলেতো কাজটি ঠিকমতো করা যাবে না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফলতির কারনে মনে হয় আমাদের বাড়ি ঘর এবছর ভাঙ্গনের কবল থেকে আর রক্ষা করতে পারবো না।
মফিজ উদ্দিন মেম্বার বলেন, আমি কোন সাব ঠিকাদার নই। ঠিকাদারকে লেবার এবং বালু সাপ্লাই দিয়েছি মাত্র।
কাজটির দায়িত্বে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, কে বলেছে ৫ হাজার ব্যাগ ফেলেছি, কাজতো এখনো শেষ হয়নি। আমরা প্রথমে কাজ করে দেখি যে কাজটি টিকবে কিনা? আমাদের ইভালুয়েশন( মুল্যায়ন) কমিটি আসার কথা, এজন্য একটু দেরি হচ্ছে। কমিটির লোকজন দেখার পরে আমরা নতুন করে আবার কাজটি শুরু করবো।
লোকজন মনে করছে আর মনে হয় কাজ হবে না। কাজের অগ্রগতির বিষয়ে এমপি মহোদয়(অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া ) ফোন করেছিল, এমপির সাথে কথা হয়েছে, যত বস্তা লাগে কাজটি করে দিব।
সিমেন্ট দেয়া হয়েছে কিনা বা কম দেয়া হয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এবিষয়ে পরে কথা বলবো, আগে কাজটি শুরু করি।












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লার ১৪৫৮ জন কৃষক ‘কৃষি কার্ড’ পাবেন আজ
কুমিল্লায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা আজ
হোমনায় স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান
নারী উদ্যোক্তা প্রমির হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
কুমিল্লায় হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
নববর্ষে কুমিল্লায় বিশাল মাছের মেলা
কুমিল্লায় পৃথক দুর্ঘটনায় সড়কে ঝড়লো ৯ প্রাণ
৫ বছর পর মা-বাবার কোলে ফিরল মুরাদনগরের সাইদুল
বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ কুমিল্লায়
কুমিল্লায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা শুরু
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২