একজন রোজাদারের জন্য ইফতারের
মুহূর্তটি গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই সময়কে রোজাদের জন্য আনন্দের মুহূর্ত বলা
হয়েছে। ইফতারের মুহূর্তটিকে আনন্দঘন ও অর্থবহ করতে ইফতারের সময় মনে রাখতে
পারেন ৫টি বিষয়—
১. ইফতারে দেরি না করা
মাগরিবের আজান শোনার সঙ্গে
সঙ্গেই ইফতার করা সুন্নত। রোজা রেখে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করা ঠিক নয়। নামাজের
আগেই অল্প কিছু দিয়ে ইফতার করে নেওয়া উত্তম। এতে শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে
পায় এবং ইবাদতে মনোযোগ বাড়ে।
২. ইফতারে কী খাচ্ছেন, সচেতন থাকুন
দীর্ঘ
সময় না খেয়ে থাকার পর ভারী খাবার দিয়ে ইফতার শুরু না করাই উত্তম। খেজুর
দিয়ে ইফতার করা সুন্নত। খেজুর না থাকলে পানি দিয়েই ইফতার শুরু করা যায়।
এরপর পরিমিত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা উচিত। মনে রাখুন অতিভোজন
শরীর ও ইবাদত—দুটোর জন্যই ক্ষতিকর।
৩. খাবারের সুন্নতগুলো মেনে চলুন
ইফতারের
সময় দোয়া পড়া, বিসমিল্লাহ বলা, ডান হাতে খাওয়া, নিজের কাছের খাবার থেকে
শুরু করা এবং ধীরে ধীরে খাওয়া। এমন বেশ কিছু সুন্নত রয়েছে, এসব পালন করা
উচিত।
৪.দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দিন
দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত ইফতারের
সময়। এ সময় নিজের জন্য, পরিবার-পরিজনের জন্য, জীবিত ও মৃত সবার জন্য দোয়া
করা উচিত। ইফতারে সময় আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করা
অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
৫. অন্যকে ইফতার করানোর চেষ্টা করুন
অন্যকে
ইফতার করানো একটি ফজিলতপূর্ণ কাজ। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী অন্যের জন্য
ইফতারের ব্যবস্থা করলে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়।
নিজের পাশাপাশি প্রতিবেশী, আত্মীয় বা অসচ্ছল মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন রমজানের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে।
