
কুমিল্লা
হাউজিং এস্টেটের ৩ নম্বর সেকশনের জান্নাতুন নাঈম মহিলা মাদরাসার
প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা সালমানের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে এলাকায়
চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে টয়লেটে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যুর খবর
ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ধূম্রজাল শুরু হয়। ওই দিন বিকেল ৩টায় নিজ বাড়িতে
জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও লাশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে
আঘাতের চিহ্ন দেখে মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহের সৃষ্টি হলে নিহতের পরিবার লালমাই
থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দাফন না করে ময়নাতদন্তের
জন্য মর্গে পাঠায়।
নিহত মাওলানা সালমান কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভূলইন
উত্তর ইউনিয়নের দাপাড় গ্রামের মাওলানা আব্দুর রহমানের বড় ছেলে। তার মৃত্যু
স্বাভাবিক নয় বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী ও তার ছোট ভাই ইহসান। তিনি দাবি
করেন এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের
আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
প্রাথমিক
তদন্তের অংশ হিসেবে লালমাই থানা পুলিশ নিহতের স্ত্রী জান্নাত ও শ্যালক
মাহমুদুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। লালমাই থানার সেকেন্ড
অফিসার এসআই ফারুক জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত
হওয়া যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে
পাঠানো হয়েছে।
