
কুমিল্লার
মুরাদনগরে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ৫পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পবিত্র
মাহে রমজান উপলক্ষে উপহার সামগ্রী বিনিময় করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও
ধর্মমন্ত্রী আলহাজ¦ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি। মন্ত্রী
হওয়ার পর শুক্রবার নিজ এলাকায় প্রথম সফরে এসে তিনি এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ
করেন। এলাকায় পৌঁছেই মন্ত্রী ৫টি শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে উপহার
হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফল ও খেজুরের প্যাকেট তুলে দেন। এ সময় প্রিয় নেতাকে
কাছে পেয়ে এবং তাঁর আন্তরিকতায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
শহীদ
পরিবারের সদস্যরা জানায়, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ মন্ত্রী হওয়ার
অনেক আগে থেকেই তাঁদের খোঁজখবর রাখছেন। শহীদ আবুল হোসেনের স্ত্রী
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "আমার স্বামী শহীদ হওয়ার পর কায়কোবাদ দাদা ও
ওনার ছোট ভাই আরেফিন সাহেব আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারা আমাদের থাকার জন্য
একটি নতুন ঘরও তৈরি করে দিয়েছেন। আমরা তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু
কামনা করি।" অন্য এক শহীদের মা জানায়, তাঁর ছেলে যখন গুলিবিদ্ধ হয়ে
হাসপাতালে ছিলেন, তখন বর্তমান ধর্মমন্ত্রী ও তাঁর ভাই চিকিৎসার যাবতীয় খরচ
বহন করেছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ধর্মমন্ত্রীর ছোট ভাই কাজী শাহ আরেফিন
বলেন, "শহীদ পরিবারগুলোর ত্যাগের তুলনায় আমাদের এই প্রয়াস খুবই সামান্য।
আমরা ইতিমধ্যে তিনটি পরিবারকে নতুন ঘর তুলে দিয়েছি এবং দলীয় নেতাকর্মীরা
সার্বক্ষণিক তাঁদের পাশে আছেন। ভবিষ্যতে যেকোনো বিপদে-আপদে আমরা তাঁদের
ছায়া হয়ে থাকব।"
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ
মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, "তাঁদের মহান আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা
নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, আমি দেশে ফিরতে পেরেছি এবং মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব
পালন করছি। এই শহীদ পরিবারগুলোর পাশে আমি আগেও ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব।
তাঁদের জন্য স্থায়ী ও কল্যাণকর কিছু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব
ইনশাআল্লাহ।"
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির
যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য
সোহেল আহমদ বাবুসহ স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের
নেতৃবৃন্দ।
