
বর্তমান সময়ের অন্যতম
সেরা নারী শুটার কামরুন নাহার কলিকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে শুটিং
ফেডারেশনের। কলির পাশাপাশি আরো তিন শুটার এমা, আহাদ ও পিয়াসকে সাময়িক
বহিষ্কারের চিঠি দিয়েছে ফেডারেশন। সাবেক দুই তারকা শুটার সাবরিনা সুলতানা ও
শারমিন আক্তার রত্নাকে শুটিং থেকে অবাঞ্চিত করা হয়েছে। যারা চিঠি পেয়েছেন
তারা সবাই সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও
গণমাধ্যমে নানা বক্তব্য দিয়েছিলেন।
শুটিংয়ের স্বর্ণকন্যা হিসেবে খ্যাত
সাবরিনা সুলতানা। বাংলাদেশের অসংখ্য পদক জিতেছেন তিনি। শুটারদের পাশে
দাঁড়িয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় প্রিয় শুটিং অঙ্গন থেকে অবাঞ্চিত হয়েছেন। এ
নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই কমিটির কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। বিশেষ করে সাধারণ
সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌসী সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হায়দারের প্রভাবিত হয়ে এখনো কাজ
করছেন। এ রকম অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত এটারই উদাহরণ।’
বাংলাদেশের
ক্রীড়াঙ্গনে অন্যতম প্রতিবাদী কন্ঠস্বর শারমিন আক্তার রত্না। তিনি এবার
সরাসরি সাধারণ সম্পাদকের অপসারণ চেয়েছেন, ‘একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড
করে চলছেন সাধারণ সম্পাদক। তিনি এই পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন। তার
অপসারণ চাই।’
রত্না, সাবরিনাদের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৫ জানুয়ারি
ফেডারেশনে তারা নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে অত্যন্ত বাজে আচরণ
করেছেন এবং ফেডারেশনে তদন্ত কাজে আগত পুলিশ কর্মকর্তার সামনে। এতে
ফেডারেশনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। এমন অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে
রত্না বলেন, ‘সাবেক শুটার হিসেবে আমরা সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলতে
চেয়েছিলাম। তিনি আমাদের কথাই শুনেননি। যেদিনের ঘটনা উল্লেখ করেছে সেদিন
শুটার পিয়াস উপস্থিত ছিলেন না এরপরও তাকে সাময়িক বহিষ্কারের চিঠি দেয়া
হয়েছে।’
রত্না, সাবরিনা শুটিংয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন এজন্য তাদের
অবাঞ্ছিত করেছে। সাজ্জাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন রত্না। তাই রত্নাকে
মামলা সংক্রান্ত কাজে পুলিশ ডাকলেই শুধু ফেডারেশনে আসতে পারবেন। বর্তমান
শুটারদের সাময়িক বহিষ্কারের চিঠিতে তিন কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা
হয়েছে। স্ত্রী কলির জন্য প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে স্বামী পিস্তল শুটার আহাদও
চিঠি পেয়েছেন।
