আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়
নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। গ্রামে-গঞ্জে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের প্রভাব,
সন্ত্রাসী তৎপরতা, কিশোর গ্যাং চড়াচড়ি ও ভয়ভীতির কারণে ভোটকেন্দ্রে ভোটার
উপস্থিতি নিশ্চিত করাই এখন প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে
দাঁড়িয়েছে।
নির্বাচন সংশিষ্ট সূত্র জানায়, নাঙ্গলকোট উপজেলায় ৯৭টি ভোট
কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে ৬৮টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা
হয়েছে। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ২৯টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ
কেন্দ্র রয়েছে ৩৯টি। এসব কেন্দ্র গুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা
গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন
স্থানে অবৈধ অস্ত্রের মহড়া ও হুমকির কারণে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক
বিরাজ করছে। অনেক ভোটারই নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় কেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহ
প্রকাশ করছেন। এতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দেখা
দিয়েছে।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ
কেন্দ্র গুলোতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ও
পুলিশ বাহিনীর সহ বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হবে।
উপজেলা
নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসার লিজা আক্তার বিথী বলেন, প্রত্যেক
কেন্দ্রে সিসি ক্যামরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইন শৃংখলা বাহিনী ও স্পেশাল
ফোর্স মাঠে থাকবে এবং তাদের বডি ক্যামরা থাকবে। কোন ধরণের অপ্রতিকর ঘটনা
ঘটলে, তাৎক্ষণিক সংবাদ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
