
আগামী
১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর জাপানের আইচি ও নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিতব্য
২০তম এশিয়ান গেমস হকির বাছাই পর্ব হবে মার্চ-এপ্রিলে। ছেলেদের বাছাই পর্ব
হবে ওমানের মাসকাটে ২৫ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল এবং মেয়েদের বাছাই পর্ব হবে
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ২০ থেকে ৩০ এপ্রিল।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন এবার
ছেলে-মেয়ে দুই বিভাগে এশিয়ান গেমসে দল পাঠানোর পরিকল্পনা হিসেবে বাছাইয়ে
অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। এই প্রথমবারের মতো নারী জাতীয় দল গঠন করার
পরিকল্পনার কথা শুনে আনন্দের জোয়ার বয়েছিল হকির মেয়েদের মধ্যে। তবে
ফেডারেশন হয়তো সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে যাচ্ছে।
পুরুষ হকি দলকে
বাছাইয়ে পাঠাতে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে
ফেডারেশন। এ জন্য ৩৭ সদস্যের প্রাথমিক দলও ঘোষণা করা হয়েছে। বাছাই করা
খেলোয়াড়দের ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে রিপোর্ট করতে
বলা হয়েছে।
নারী দল নিয়ে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক
রিয়াজুল হাসান বলেছেন, ‘মেয়েদের এন্ট্রি এখনো আমরা করি নাই। কারণ, একটু
হিসাব-নিকেশের বিষয় আছে। টাকা-পয়সা কিভাবে ম্যানেজ হবে সবকিছু বিবেচনা করে
সিদ্ধান্ত নেবো মেয়েদের দল পাঠাবো কি পাঠাবো না।’
আগে যতটা জোর দিয়ে
মেয়েদের জাকার্তা পাঠানোর কথা বলেছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কণ্ঠে
সেই জোর ছিল না। ২৫ জানুযারি এন্ট্রির শেষ সময়। সেটা মনে করিয়ে দিলে সাধারণ
সম্পাদক বলেন, ‘তাতে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। আগে সিদ্ধান্ত নেই যাবো কি
না।’
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়শেন সাধারণত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে কোনো
কোনো ডিসিপ্লিন এশিয়ান গেমসে পাঠানো হবে। বিওএ সবসময়ই দলীয় ডিসিপ্লিন
পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেক হিসাব-নিকাশ করে থাকে। যদিও বিওএর সহসভাপতি ইমরোজ
আহমেদ এর আগে জানিয়েছিলেন, ‘নারী হকি দল কোয়ালিফাই করলে আমরা অবশ্যই এশিয়ান
গেমসে পাঠাবো।’
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলছেন,
‘বাছাইয়ে মেয়েদের পাঠানো না পাঠানো নিয়ে বিওএর কোনো বিষয় নেই। আমরা
কোয়ালিফাই করলে তারা অবশ্যই এশিয়ান গেমসে দল পাঠাবো। আমরা অনিশ্চয়তায় আছি
ইন্দোনেশিয়ায় পাঠানোর খরচ কিভাবে ব্যবস্থা করবো তা নিয়ে।’
