
বাংলাদের
ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্য ঘিরে গেল
বৃহস্পতিবার ক্রিকেটাঙ্গন ছিল উত্তেজনাময়। তবে সারাদিন তার সঙ্গে যোগাযোগের
চেষ্টা করেও সেদিন সফল হয়নি বিসিবি। পরে রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির
পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার পরও
নাজমুলের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একইভাবে শোকজের জবাব এলে প্রায় তিন দিনে।
বিসিবির
বেধে দেওয়া নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেননি নাজমুল। তবে আজ রোববার
ডিসিপ্লিনি কমিটির কাছে জবাব দিয়েছেন নাজমুল। এরপর চিঠি পড়ে বাকি সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করা হবে।
আজ সন্ধ্যায় ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন বিষয়টি বিসিবির
একজন পরিচালক। তার মতে, এখন পরবর্তী পদক্ষেপ জানা যাবে সভাপতির (আমিনুল
ইসলাম বুলবুল) সঙ্গে আলাপের পর।
বিপত্তিটা বেধেছিল গত ১৪ জানুয়ারি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিসিবি থেকে ক্রিকেটারদের
ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে বিসিবি পরিচালক নাজমুল
বলেছিলেন, ‘বিসিবির হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। কারণ ক্রিকেটাররা
খেললে ম্যাচ ফি পায়। ম্যাচসেরা হলেও পারফরম্যান্স অনুযায়ী (আলাদা ফি) পায়।
এটা শুধুই ক্রিকেটারের পাওয়া। বোর্ডের লাভ-ক্ষতি নেই। অন্তত এই বিশ্বকাপের
জন্য। ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, আমরা যে ওদের পেছনে এত কোটি কোটি
টাকা খরচ করছি, আমরা কি ওই টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি?’
ওই মন্তব্যের
প্রতিবাদে সেদিন রাতেই নাজমুল ইসলামের পদত্যাগ চেয়ে বিপিএলসহ সব ধরনের
ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা করে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। সে কারণে পরদিন
বিপিএলের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়ে যায়। এমনকি রাতের ম্যাচ না খেলায়
অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিত ঘোষণা করে বিসিবি। পরে রাতে বিসিবি ও
কোয়াবের বৈঠক শেষে বদলে যায় দৃশ্যপট। শর্তসাপেক্ষে খেলায় ফেরার ঘোষণা দেন
ক্রিকেটাররা। সেদিন সকালে নাজমুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিসিবি।
