
বহু
যুগ আগে চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াস তৎকালীন সমাজবাস্তবতার প্রেক্ষাপটে একটি
গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন: “অন্যের সম্মান বিনাশে সুখ খোঁজা আত্মবিনাশের
নামান্তর।”
কিন্তু আমরা দেখছি, বিশ্বের বহু সমাজেই এক শ্রেণির মানুষ
অন্যের সম্মান বিনাশ, অন্যকে নাজেহাল করার মধ্যেই আত্মসুখের সন্ধান করে।
আমাদের সমাজও এর বাইরে নয়; বরং এটি আরও প্রকটভাবে দৃশ্যমান। এই জঘন্যতম
অপকর্ম যে পরোক্ষে আত্মবিনাশেরই নামান্তর-তা অনেকেই ভুলে যান।
প্রসঙ্গত
উল্লেখযোগ্য, সেই রূপকথার রাজাদের গল্প-যারা একসময় ছিলেন রণবন্দি, তারাই
পরবর্তীকালে সিংহাসন ফিরে পাওয়া মাত্রই অন্যদের হেনস্তা করতে বন্দিশালা গড়ে
তোলেন। যারা নিজেরা নিপীড়ন-নির্যাতনের অভিঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন, তারাই
অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে একই পথ অনুসরণ করেন।
এ যেন চরম কুৎসিত এক চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া।
মহাভারতের
পাঠে দেখা যায়, দুর্যোধন যখন আত্মীয়দের হেনস্তা করে হটিয়ে অখণ্ড রাজ্য
দখল করেন, তখন তার পিতা ধৃতরাষ্ট্র তাকে জিজ্ঞেস করেন, “এখন কি হইয়াছ
সুখী?”
দাম্ভিক দুর্যোধন জবাবে বললেন, “সুখ চাহি নাই মহারাজ! জয়, জয় চেয়েছিনু-জয়ী আমি আজ।”
এই
গৌড়চন্দ্রিকার অবতারণা বিদ্যমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে-তা বলা অনাবশ্যক।
কারণ, এই স্তম্ভেই পূর্বে প্রকাশিত এক লেখায় বিষয়টি সবিস্তারে উল্লেখ
করেছি।
‘মব জাস্টিস’ শব্দযুগল সমাজে নতুন কোনো আলোচনার বিষয় নয়। কিন্তু
বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুনভাবে আলোচনার দাবি রাখে, কারণ
এটি দিন দিন যেভাবে প্রকট থেকে প্রকটতর হয়ে উঠছে-তা রীতিমতো ভয়াবহ।
প্রশ্ন হলো, এর অবসান ঘটবে কীভাবে?
আইনের
শাসন কিংবা ন্যায়বিচারের দাবি এ দেশে নতুন নয়; বহু পুরোনো। কিন্তু
দুঃখজনকভাবে এই দাবির বাস্তবায়ন আজও অধরা রয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, এ নিয়ে
সমাজে আক্ষেপ-আকুতি আরও বেড়েছে।
রক্তস্নাত বাংলাদেশের ইতিহাসে ট্যাগের
রাজনৈতিক অপ-সংস্কৃতি যেভাবে ক্রমাগত অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ছে, তাতে তা সমাজের
জন্য ভয়ঙ্কর বার্তা বহন করছে। অনেক ক্ষেত্রেই এখান থেকেই জন্ম নিচ্ছে মবের
উৎকট ও ঘৃণ্য রূপ।
এই ট্যাগভিত্তিক রাজনীতির অপসংস্কৃতি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে অস্থিরতার এক বিষবৃক্ষ চারদিকে ডালপালা মেলছে।
আমরা
জানি, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজকে
অনাচার, দুরাচার ও অপকর্মমুক্ত করার জন্য রাষ্ট্রে বিদ্যমান আইনি কাঠামো
এবং আইন প্রয়োগকারী বহু সংস্থা ও বাহিনী রয়েছে।
কিন্তু
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই আইনি কাঠামোকে ডিঙিয়ে যখন মানুষ নামধারী কিছু
স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি সমাজে উন্মত্ততা ছড়িয়ে দেয়-তখন তা জনমনে ভয় আর
প্রশ্নের সীমা বাড়িয়ে দেয়।
এতসব ঘটনার পর একটাই প্রশ্ন উচ্চারিত হয়: এই সবের চূড়ান্ত পরিণতি কী?
প্রশ্নের পাহাড় দাঁড়িয়ে গেছে, কিন্তু সদুত্তরের রেখা যেন দূরে-বহুদূরে।
এভাবে
চলতে পারে না। এভাবে চলা সমীচীন নয়-এই কথা সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা
বহুবার বলেছেন। কিন্তু এরপরও মব থেমে নেই। কাঙ্ক্ষিত ফলও মিলছে না।
কেন?
এই ‘কেন’-ও যেন এক অন্তহীন প্রশ্ন।
একটি
সমাজ নানা কারণে অস্থির হয়ে ওঠে, জনজীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। এই
অস্থিরতার অন্যতম কারণ হলো রাজনৈতিক ব্যর্থতা। আর এই ক্ষেত্রে রাজনীতিকরা
যদি তাদের দায়বদ্ধতা ভুলে যান, তবে তা আরও ভয়াবহ বিপদের অনুষঙ্গে পরিণত হয়।
বাংলাদেশে
এ পর্যন্ত যত মবের ঘটনা ঘটেছে এবং যারা এসব ঘটিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
দেখা যায়, তাদের কোনো না কোনো রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে; এমনকি অপরাজনীতির
অপছায়াও সেখানে বিদ্যমান।
কিন্তু এর কাক্সিক্ষত প্রতিবিধান-চাই তা প্রশাসনিক হোক বা রাজনৈতিক-বহুলাংশেই হয়নি।
এই যখন বাস্তবতা, তখন পরিস্থিতির উন্নতির বদলে আরও অবনতি ঘটবে-এটাই তো স্বাভাবিক।
দায়িত্বশীল
মহল থেকে ‘মব’-এর বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ হুঁশিয়ারি বারবার উচ্চারিত হলেও এর
বিপরীতে যথাযথ ও দৃশ্যমান প্রতিবিধানের উদাহরণ কতটা আশাব্যঞ্জক-তা নিয়ে
প্রশ্ন অবান্তর নয়।
প্রশ্ন তো উঠছেই, ক্রমাগত উঠছে; কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই আশানুরূপ ফল মিলছে না।
যখন
সমাজে আইনের শাসন কিংবা ন্যায়বিচারের আশা ফিকে হয়ে যায়, তখন সঙ্গত কারণেই
জনপ্রত্যাশা ও জনদাবি হোঁচট খায়। আর সেখান থেকেই নেতিবাচকতার পথ আরও সুগম
হয়ে ওঠে।
এই অবস্থা এক পর্যায়ে মানবিক সমাজ গঠনের পথে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
এসব বিষয়ে সমাজের বহু মানুষেরই রয়েছে তিক্ত অভিজ্ঞতা-যা শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং একটি জাতির জন্যও বেদনার।
ন্যায়বিচার
বলতে সাধারণত বোঝায়-আইনের সঠিক প্রয়োগ, সমাজের সকলের প্রতি ন্যায্য আচরণ
এবং সবার জন্য সুযোগের সমতা। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, যা
সামাজিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।
ন্যায়বিচার বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়—যেমন: আইনি ন্যায়বিচার, সামাজিক ন্যায়বিচার, পরিবেশগত ন্যায়বিচার ইত্যাদি।
সংস্কৃতি ও সভ্যতার পার্থক্য অনুসারে ন্যায়বিচারের ধারণাও ভিন্ন হয়ে থাকে।
ন্যায়বিচার বিষয়ে পশ্চিমা মতবাদগুলোর প্রায় সবই গ্রিক দার্শনিক প্লেটো ও তার শিষ্য এরিস্টটলের লেখা থেকে উৎসারিত।
১৭শ
শতকে জন লকসহ অন্যান্য তাত্ত্বিকরা প্রাকৃতিক বিধিভিত্তিক তত্ত্বের পক্ষে
যুক্তি দেন। অন্যদিকে সামাজিক চুক্তিভিত্তিক চিন্তাবিদরা বলেন, ন্যায়বিচার
প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয় সমাজের সকল সদস্যের পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে।
১৯শ শতকে জন স্টুয়ার্ট মিল ও অন্যান্য উপযোগবাদী চিন্তাবিদরা বলেন, ন্যায়বিচার তা-ই যার ফলাফল সবচেয়ে শুভ হয়।
মানব
সমতাবাদীরা যুক্তি দেন, ন্যায়বিচার কেবলমাত্র মানুষে মানুষে সমতার নিরিখে
ধার্য হতে পারে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে সকল পর্যায়ে বিশেষ করে
উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সহিংসতা প্রতিরোধসহ সন্ত্রাস ও অপরাধ মোকাবেলার
সক্ষমতা বিনির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার
বিষয়ে জাতিসংঘের অভীষ্ট ১৬টি লক্ষ্যমাত্রার একটি। আমাদের ক্ষেত্রেও এর
ব্যতিক্রম ঘটার কথা নয়।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে-‘মব’-এর বেলায় এসব কী সত্যিই কার্যকর হচ্ছে? ন্যায়বিচারের সেই বহুমাত্রিক চেহারাটি কি সেখানে দৃশ্যমান?
‘বিচার’ এবং ‘ন্যায়বিচার’-এই দুটি শব্দ প্রায়ই একে অপরের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তবে এর মধ্যে রয়েছে কিছু মৌলিক পার্থক্য।
বিচার
বলতে সাধারণভাবে বোঝায়-আইনের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি বা দলের ওপর সিদ্ধান্ত
গ্রহণ বা কার্যক্রম পরিচালনার প্রক্রিয়া। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে
সমাজে বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে কোনো ঘটনা বা পরিস্থিতির
নিষ্পত্তি করা হয়।
বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে অপরাধী চিহ্নিত হয় কিংবা
নির্দিষ্ট পরিস্থিতির আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার মধ্যে থাকতে পারে
শাস্তি প্রদান, কোনো আদেশ জারি বা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যবস্থা।
অন্যদিকে,
ন্যায়বিচার হলো সেই বিচারপ্রক্রিয়া, যেখানে শুধু আইনের শাসনই নয়-মানবিক,
নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তিতেও প্রতিটি পক্ষের প্রতি সমান ও
নিরপেক্ষ আচরণ নিশ্চিত করা হয়।
এটি এমন এক পদ্ধতি, যেখানে শুধু নিয়ম-কানুন মেনে চলাই নয়, বরং মানবিক বিবেচনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ন্যায়বিচারের
মূল কথা হলো-সবার প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করা এবং একটি এমন প্রক্রিয়া তৈরি
করা, যা ন্যায্য, যেখানে কেউ অবিচার কিংবা বৈষম্যের শিকার না হয়।
এর মূলে রয়েছে-সব ব্যক্তির প্রতি সমান আচরণ এবং তাদের অধিকার ও মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধা।
কিন্তু
দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের সমাজে এই ন্যায্যতার মানচিত্র চরমভাবে অসমতল।
এখানে অধিকারের ভূমি যেন কখনো উঁচু, কখনো অতল গহ্বরে নেমে যায়।
মনে রাখা প্রয়োজন-সব কিছুর শেষ আছে, কিন্তু মানুষের অধিকারের কোনো শেষ নেই।
মানব-মর্যাদার
বোধ নিঃসন্দেহে অনেক কিছুর ঊর্ধ্বে। কিন্তু সেই মর্যাদাবোধের জায়গায় যখন
লাঞ্ছনা ও জিঘাংসা প্রবেশ করে, তখন সমাজে ক্রমাগত ক্ষতের পরিসর বাড়তে থাকে।
এটি যে এক অপরিমেয় ক্ষতি-তার ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ নতুন করে প্রয়োজন নেই।
রবীন্দ্রনাথ তার ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যে লেখেন-
“যাদের করেছ অপমান,
অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।”
স্মরণ করতে পারি রবীন্দ্রনাথেরই লেখা, সমাজে বহুল উচ্চারিত, রীতিমতন প্রবাদবাক্যে পরিণত-
“অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে,
তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।”
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আমাদের চারপাশে আমরা সেই পুরোনো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি দেখতে পাই-
একটি পুতুলনাট্যের মতো দৃশ্যপট, যেখানে কেবল মুখোশ বদলায়, কিন্তু গভীরে কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
এই
বিষয়গুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে একটি ভূখণ্ডের সুশাসন, ন্যায়বিচার,
মানবাধিকার, শিষ্টের পালন, দুষ্টের দমন এবং শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ইত্যাদির।
এসবের যথাযথ প্রতিপালন নিয়ে ইতিমধ্যে সমাজের নানা মহল থেকে বহু প্রশ্ন উঠেছে।
মানুষ আজ ‘মব’-এর ভয়ে সন্ত্রস্ত।
এই প্রেক্ষাপটে আমরা আবারও স্মরণ করতে পারি রবীন্দ্রনাথকেই। তিনি সতর্ক করে লিখেছিলেন-
“যারে তুমি নীচে ফেল, সে তোমারে বাঁধিবে যে নীচে;
পশ্চাতে রেখেছ যারে, সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।”
‘ট্যাগ’-এর
রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি আমাদের প্রেক্ষাপটে নতুন নয়। তবু এবারের পরিস্থিতি
আরও জটিল রূপ নিয়েছে। প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হয়ে অনেকেই আজ বিপন্ন ও
বিপর্যস্ত।
‘মব’ বা সংঘবদ্ধ বিশৃঙ্খলা-এটি এর বাইরে কিছু নয়; বরং এই রাজনীতিরই একটি বিষাক্ত ফসল।
নিকট
অতীতে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, "ট্যাগ দিয়ে মানুষকে অপরাধী বানিয়ে
আওয়ামী লীগ যে রাজনীতি করত, তা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। যদি তা না
পারি, তাহলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বৃথা হয়ে যাবে।"
কিন্তু আইন উপদেষ্টার
এই বক্তব্যের তো কোনো বাস্তব প্রতিফলন দেখছি না। দেশের আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি ও 'মব' নিয়ে উদ্বিগ্ন তরুণ সমাজ। তারা চান সাধ্যের মধ্যে আধুনিক
শিক্ষা ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা। সংস্কারের ক্ষেত্রেও তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য
ও শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকারে দেখতে চান।
তরুণদের এই মনোভাব উঠে এসেছে
সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) ও অ্যাকশনএইডের একটি
জরিপে। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও রাজনৈতিক
পরিস্থিতি নিয়ে তরুণদের ভাবনা-সম্পর্কিত এই জরিপ গত ৭ জুলাই প্রকাশ করা হয়।
অস্বীকার
করা যাবে না যে, রাজনীতি অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। এ প্রসঙ্গে
সর্বাগ্রে জনকল্যাণের বিষয়টি আসে। কিন্তু আমাদের রাজনীতি ও এর
নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কতজন এর প্রতিপালনে আন্তরিক কিংবা সদিচ্ছা পোষণ
করেন?
যদি সকলে সমস্বরে এই অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতেন এবং এর প্রতিবিধানে একাট্টা হতেন-তবে কি ‘মব’ এতটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারত?
লেখক: সাংবাদিক ও কবি
