
বিশ্বকাপের
শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে নরওয়ে।
হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটির আগে ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন নরওয়ের তারকা
স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। সেলেসাওদের হারানো নিয়ে খুব একটা আশাবাদী নন
তিনি।
ইতিহাস অবশ্য নরওয়ের পক্ষেই কথা বলছে। দুই দলের আগের চারবারের
দেখায় ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। তবে এবারও সেই ধারা বজায় থাকবে
কি না, সে বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী নন হালান্ড।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পর্বে
আইভরি কোস্টকে ২–১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর ফিফাকে দেওয়া
সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে
ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকারের সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘সম্ভাবনা খুবই কম।’
এর আগে ব্রাজিলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাওয়ার বিষয়ে হালান্ড বলেছিলেন, ‘শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে হবে, এটাই বাস্তবতা।’
আইভরি
কোস্টকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর ডালাস স্টেডিয়ামে উচ্ছ্বাসে মেতে
ওঠেন নরওয়ের সমর্থকরা। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়রাও নিজেদের পরিচিত ‘ভাইকিং
রোয়িং’ উদ্যাপনে অংশ নেন। মাঠে বসে মিডফিল্ডার মার্টিন ওডেগার্ডের ড্রামের
তালে বৈঠা বাইবার প্রতীকী ভঙ্গিতে আনন্দ ভাগাভাগি করেন তারা।
নিজ দেশের
মানুষের উচ্ছ্বাসের কথা তুলে ধরে হালান্ড বলেন, ‘নরওয়ের মানুষ এখন দারুণ
উচ্ছ্বসিত। জাতীয় দলকে ঘিরে পুরো দেশের এই ঐক্য আমাদের পারফরম্যান্সেও
ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।’
তবে সামনে যে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, সেটিও
মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলছিলেন, ‘এখন আমরা শেষ ষোলোতে। এখান থেকে প্রতিটি
দলই শক্তিশালী। সামনে এগোনো মোটেও সহজ হবে না। আমরা পারব কি না, সেটাও
জানি না। তবে আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি এবং সেই প্রস্তুতি ধরে রাখার
চেষ্টা করছি।’
নরওয়েজিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হালান্ড। এবারের
বিশ্বকাপেও ইতিমধ্যে পাঁচ গোল করেছেন এই গোলমেশিন। ইউরোপিয়ান বাছাইপর্বে
তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই ২৮ বছর পর নরওয়েকে আবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে
ফিরিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রেখেছে। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে খেলেছিল
নরওয়ে।
