রণবীর ঘোষ কিংকর।
কার্যক্রম
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার
চান্দিনায় তিন দিনের পৃথক অভিযানে উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের
১১ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (২১ জুন) থেকে মঙ্গলবার (২৩
জুন) পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়। তবে তারা কেউই কোন মামলার
এজাহার ভূক্ত আসামী নয়। এর আগে ৩০ মে তারিখে মহাসড়কের কোরপাই-গোবিন্দপুর
এলাকায় আওয়ামী লীগের মিছিলের পর ৩১ মে চান্দিনা থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাস
বিরোধী ও নাশকতার মামলায় সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে
আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়।
আটককৃতরা হলো- উপজেলার
নাজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা বাতাঘাসী ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি মো. তমিজ
উদ্দিন (৫৫), কংগাই গ্রামের তাজুল ইসলাম এর ছেলে কৃষকলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম
(৩০), ছায়কোট গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে পৌর যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক
মাহাবুব (৩৫) ছায়ঘড়িয়া গ্রামের মজিবুর রহমান এর ছেলে কেরণখাল ইউনিয়ন যুবলীগ
সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা (৩৮), রারিরচর গ্রামের মৃত গণি মিয়ার ছেলে
পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হারুন অর রশিদ (৩৮), মহারং গ্রামের ওমর ফারুকের
ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মো. ইয়াছিন (২০), পাশ্ববর্তী দাউদাকান্দি উপজেলার
মালিখিল গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে মো. সুমন মিয়া (২১), চান্দিনা উপজেলার
শ্রীমন্তপুর গ্রামের আব্দুল মালেক এর ছেলে রুহুল আমিন মিঠু (৩৪), সুরিখোলা
গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে সালাউদ্দিন ভূইয়া (৩৬), মহিচাইল ভূইয়াপাড়া এলাকার
মনির মিয়ার ছেলে মো. শাহিন মিয়া কুদ্দুস (২৫), লোনাকান্দা গ্রামের আব্দুল
আউয়ালের ছেলে রুবেল হোসেন (২০)। এর মধ্যে ২১ জুন ৪জন, ২২ জুন ৫জন এবং ২৩
জুন ২জনকে আটক করা হয়।
চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. আতিকুর
রহমান জানান- সন্ত্রাস বিরোধী আইন-২০০৯ এ দায়ের করা মামলায় পৃথক অভিযান
চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। যাদেরকে আটক করা হয়েছে তারা এজাহার ভূক্ত
আসামী না হলেও আমাদের মামলার তদন্তে সন্দেহ ভাজন ভাবে তাদের নাম এসেছে।
