হামজা-জামালদের
কোচ নিয়োগ নিয়ে ছিল অনেক জল্পনা-কল্পনা। নানা আলোচনার পর থমাস ঢুলিকে
হামজাদের কোচ করেছে বাফুফে। সিনিয়র জাতীয় দলের হেড কোচের পাশপাশি ইয়ুথ
ডেভলপেমেন্টর কোচের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল ফেডারেশন। ৩৬ বছর বয়স্ক
ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্সকে আজ ডেভলপমেন্ট কমিটির সভায় চূড়ান্ত করেছে
বাফুফে।
কমিটির সভা শেষে সদস্য সামিদ কাশেম কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে
বলেন, 'আমরা ১১৫ জন কোচের সিভি পাই। সেখান থেকে আমি, ট্যাকনিক্যাল
ডাইরেক্টর ও স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান সারতাজ ভূইয়াকে ১৮ জনকে প্রাথমিকভাবে
নির্বাচিত করি। সেই ১৮ জনের মধ্যে নানা ক্রাইটেরিয়ায় ৫ জনকে দীর্ঘ
ইন্টারভিউ নেই। সেই ইন্টারভিউয়ের পর বাফুফে সভাপতি ও ডেভলপমেন্ট কমিটির
চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদীকে তালিকা দেই। বেতন ও অন্যান্য বিষয়ের
ভিত্তি করে ঐ পাঁচ জনের মধ্যে আবার ১-৫ সিরিয়াল করি। এর মধ্যে যিনি প্রথম
তাকে আমরা জব অফার করি, তিনি রাজি হওয়ায় আর পরবর্তীদের প্রয়োজন পড়েনি।’
জেরার্ড
জোন্স ভিয়েতনামের ক্লাব ভিসাখায় কোচ হিসেবে কাজ করছিলেন। এর আগে তিনি
আমেরিকার কানসাস সিটিতে ডিরেক্টর কোচিং ছিলেন। আমেরিকা ও মরক্কো ফুটবল
ফেডারেশনের কোচিং এডুকেটর হিসেবে কাজ করেছেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে আর্সেনালের
সকার স্কুলের ডিরেক্টর অফ কোচিং হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু।
৩৬ বছর
বয়সী জেরার্ড জোন্সকে বেছে নেয়ার কারণ হিসেবে সামিদ কামেশ বলেন, ‘তার উয়েফা
‘এ’ লাইসেন্স এবং গ্রাসরুট লেভেলে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এজন্যই তাকে বেছে
নেয়া। তিনি জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে আসবেন। তিনি আসার পরই এএফসি
অ-২০ টুর্নামেন্টের বাছাইয়ের জন্য আমাদের প্রস্তুতি শুরু হবে।’
হেড অব
ইয়ুথ এবং একাডেমির প্রধান হিসেবে গোলাম রব্বানী ছোটনকে নিয়োগ দিয়েছিল
বাফুফে। এক বছর দায়িত্ব পালনের পর আবার চুক্তি নবায়ন করে। এরপর আকস্মিকভাবে
তার জায়গায় সাফ অ-২০ টুর্নামেন্টের আগে বৃটিশ কোচ মার্ক কক্সকে নিয়োগ দেয়।
মার্ক কক্সের সনদ ও কোচিং অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠে। তাই সাফে
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হলেও তাকে বিদায় জানানো হয়। ছোটনকে আর এই একাডেমি
পর্যায়ে যুক্ত না করে নতুন বিদেশি কোচকে নিয়েছে। এই পদের জন্য এএফসি প্রো
লাইসেন্সধারী সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ আবেদন করেছিলেন। শেষ
পর্যন্ত বাফুফে উয়েফা এ লাইসেন্সধারী বৃটিশ কোচকে নিয়োগ দিয়েছে।
