
চাঁদপুরে
সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পথে কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জে সৃষ্টি হলো এক
অনন্য ও ব্যতিক্রমধর্মী রাজনৈতিক মুহূর্ত। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল
হোসাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে হাজারো নেতা-কর্মীর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখে
মহাসড়কে যাত্রাবিরতি দিয়ে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী আরেক রহমান।
শনিবার
বেলা সোয়া ১১টার দিকে চাঁদপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ এলাকা
অতিক্রম করছিল প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর। চাঁদপুর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে
খাল খনন ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। তবে
ইলিয়টগঞ্জ পৌঁছাতেই চিরচেনা রাজনৈতিক আবহে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা
হয়।
সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ এলাকার দু’পাশে জড়ো হতে থাকেন হাজার হাজার নেতা-কর্মী,
সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের
নেতৃত্বে মহাসড়কের দুই প্রান্ত রূপ নেয় জনসমুদ্রে।
নেতা-কর্মীদের এই
বিশাল ও সুশৃঙ্খল উপস্থিতি নজর কাড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
একপর্যায়ে তিনি তাঁর বহনকারী বাসটি থামানোর নির্দেশ দেন এবং তখন
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সাথে অত্যন্ত
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন।
মুরাদনগর উপজেলা যুবদলের
সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মাসুদ রানা বলেন, দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে এত কাছ
থেকে দেখতে পেয়ে আমরা আপ্লুত। আমাদের ধর্মমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই অভ্যর্থনা
আগামী দিনে এলাকার রাজনীতিতে নতুন প্রেরণা জোগাবে।
প্রধানমন্ত্রী গাড়ি
থামাতেই ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁকে উষ্ণ
অভ্যর্থনা জানান। মুহূর্তে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে মহাসড়কের চারপাশে ভিড় জমায় হাজারো উৎসুক জনতা।
করতালি, কায়কোবাদ, কায়কোবাদ স্লোগান আর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয়ে ওঠে
গোটা ইলিয়টগঞ্জ এলাকা।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতা-কর্মীদের মতে,
দীর্ঘদিন পর এই এলাকায় এত বড় রাজনৈতিক জমায়েত ও নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত
উপস্থিতি দেখা গেল। প্রধানমন্ত্রীর এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু আন্তরিক
যাত্রাবিরতি স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাঝে নতুন এক
রাজনৈতিক উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময়
শেষে প্রধানমন্ত্রীর বহরটি আবার চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
