রণবীর ঘোষ কিংকর।
ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা ও দাউদকান্দি উপজেলার সীমান্তবর্তী
ইলিয়টগঞ্জ-শব্দলপুর মোড়ে বাসচাপায় নিহত শিশু ও নারীর পরিচয় শনাক্ত করা
হয়েছে। দুর্ঘটনার তিনদিন পর গণমাধ্যমে সংবাদের সূত্র ধরে পরিচয় শনাক্ত করে
পরিবার।
নিহতরা হলো- মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা পৌরসভার পাখিয়ালা
গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৩৭) এবং তার পাঁচ বছর বয়সী
ছেলে ফজর উদ্দিন।
সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন। তিনি
জানান- দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায়
নিহত ফাতেমা আক্তারের ছোট বোন ঝর্ণা বেগম ও তার স্বামী মো. জালাল মিয়া
থানায় এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে
হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত
বাস থানায় রয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহত ফাতেমা আক্তার স্বামী
পরিত্যাক্তা। তিনি বাবার বাড়ি মৌলভীবাজার থেকে ঢাকায় বোনের বাড়িতে যাওয়ার
উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। তবে কী কারণে তিনি মহাসড়কের
ইলিয়টগঞ্জ-শব্দলপুর মোড়ে পাপিয়া বাস থেকে নেমেছিলেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো
তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি শনিবার সকালে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা ও দাউদকান্দি সীমান্তবর্তী ইলিয়টগঞ্জ
শব্দলপুর রাস্তার মাথা এলাকায় নীলাচল পরিবহনের একটি বাসচাপায় অজ্ঞাত
পরিচয়ের এক নারী ও তার পাঁচ বছর বয়সী শিশু সন্তান ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
পরিচয় না পাওয়ায় মরদেহ দুটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা
হয়েছিল।
