কুমিল্লা-৪
দেবিদ্বার আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মঞ্জুরুল আহসান
মুন্সির মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় চরম হতাশা বিরাজ করছে দেবিদ্বারের বিএনপি
নেতাকর্মীদের মাঝে। এমনকি আসনটি থেকে ধানের শীষের প্রতীক বাদ পড়ায় হতাশা ও
ক্ষোভ জানিয়েছেন জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ। দীর্ঘ ষোলো বছর আন্দোলন সংগ্রাম ও
নির্বাচনবিহীন রাজনৈতিক সময় পার করার পর এসে নিজের রাজনৈতিক দল নির্বাচনে
অংশ নিতে না পারার ক্ষোভও প্রকাশ করছেন অনেকে।
রবিবার সুপ্রিম কোর্ট
আপিল বিভাগের রায়ে কুমিল্লা ৪ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী মনজুরুল আহসান
মুন্সির মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পাওয়ার আপিলটি খারিজ হয়ে যায়। এতে প্রদেশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে বিএনপি'র প্রার্থীতা শূন্যতা দেখা দিয়েছে।
মনজুর আহসান মুন্সির মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল করেন একই আসনের
এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির
সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সী জানান, আমরা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। দেবিদ্বার
বিএনপির ঘাঁটি। কিন্তু বিএনপির মত বড় দলের প্রার্থিতা না থাকায় আসনটিতে চরম
হতাশা বিরাজ করছে। তবে আমরা চেষ্টা করব এই হতাশা থেকে শক্তি নিয়ে দলকে আরো
সংঘটিত করার।
এএফএম তারেক মুন্সী জানান, মনজুরুল আহসান মুন্সির
মনোনয়নপত্রের বৈধতা বাতিল হওয়াকে তিনি প্রার্থীর অসতর্কতা। কারণ তিনি যে ঋণ
খেলাপির তথ্য গোপন করায় বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন, সে বিষয়টি তিনি আগে
থেকেই খেয়াল করলে, কিংবা যে আইনজীবী পূরন করেছে তিনি সেটা খেয়াল করলেই এই
ক্ষতি হত না। অনেকেই এমন খেলাপির বিষয় সুরাহা করে প্রার্থীতা পেয়েছেন।
বিএনপি
নেতা দেবিদ্বারের বাসিন্দা এএসম মাসুদ রানা বলেন, দেবিদ্বার পুরো চুপচাপ।
বিএনপির নেতাকর্মীরা হতাশ। কে কি করবে এখনো জানে না। এতদিন মামলা হামলা
সহ্য করে কি লাভ হলো?
মাসুদ রানা বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন কাউকে সমর্থন দিবে কিনা সে বিষয়টিও নিশ্চিত না। কেন্দ্র তা ঠিক করে দিবে।
এই
আসন থেকে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী এনসিপি
নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও গনঅধিকার পরিষদের জসিম উদ্দিনসহ চারজন।
