মোঃ হুমায়ুন কবির মানিক ।।
কুমিল্লা-৯
(লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির
কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী
প্রচারণা শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে নিজ পিতার কবর
জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি এই প্রচারণা শুরু করেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ
হিসেবে দুপুর ১টার পর থেকে তিনি মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে নির্বাচনী
পথসভায় অংশগ্রহণ করেন। পথসভাগুলোতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপচে পড়া
ভিড় লক্ষ করা গেছে।
পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আবুল কালাম বলেন,
“আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘ
দেড় দশকের আন্দোলন-সংগ্রামের পর বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম
খালেদা জিয়া ও বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষ
তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। তাই আমাদের প্রত্যাশা, আগামী নির্বাচনে
সর্বস্তরের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে
উন্মুখ হয়ে আছে।”
বিরোধী রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি
বলেন, “বিএনপির জনপ্রিয়তা দেখে একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে
লিপ্ত। তবে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে থাকতে নির্বাচনের
পরিবেশ বিন্দুমাত্র বিঘ্নিত করতে দেওয়া হবে না।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে
তিনি নির্দেশ দেন জনগণের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার। তিনি বলেন, “মানুষের
সাথে ভালো আচরণ করে ভোট চাইতে হবে। আমাদের রাজনীতি হবে জনগণের কাছে
দায়বদ্ধ। মনে রাখবেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাদের জয়যুক্ত করলে আগামী পাঁচ
বছর জনগণকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আমাদের। আমরা সেই অঙ্গীকারে বদ্ধপরিকর।”
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস
পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন, যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক মো. আবুল কালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, আবুল বাশার
কিরণ, আবু ইউসুফ ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুল আলম বাচ্চু, মো. মোবারক
হোসেন ও দপ্তর সম্পাদক আহসান উল্লাহ। আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের
আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ জিকু, সদস্য সচিব আমান উল্লাহ চৌধুরী, মহিলা দলের
আহ্বায়ক রিনা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা বেগম, ছাত্রদলের আহ্বায়ক
মোবারক হোসেন বিল্লাল, সদস্য সচিব নূর মোহাম্মদ মেহেদী এবং ওলামা দলের
আহ্বায়ক মাওলানা মহিন উদ্দিনসহ অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
