
বাংলাদেশ
প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬
উইকেটে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে উঠল চট্টগ্রাম রয়্যালস। শুরুতে
ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১৩৩ রান করে রাজশাহী। জবাবে ৩ বল ও ৬ উইকেট হাতে
রেখেই জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।
রান তাড়া করতে নেমে মন্থর গতিতে ব্যাট
করতে থামেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। তবে বড় জুটিই উপহার দেয় তারা। উদ্বোধনী
জুটিতে আসে ৬৪ রান। ৩৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। আর পরের
উইকেটে নেমে ১৪ বলে ২০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন হাসান মিরাজ। আর ৮
বলে ১১ রান আসে আসিফ আলির ব্যাট থেকে।
এদিকে ১৯তম ওভার পর্যন্ত খেলে যান
ওপেনার মির্জা বেগ। ৪৭ বলে ৪৫ রান করেন তিনি। এরপর আমির জামালকে সঙ্গে
নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন দলনেতা শেখ মেহেদী হাসান। মাত্র ৯ বলে ১৯ রানে
অপরাজিত থাকেন মেহেদী। আর ২ বলে ২ রানে অপরাজিত থাকেন জামাল।
এর আগে
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে
রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী
হাসান। দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকেন রাজশাহীর দুই ওপেনার। তবে জুটিটা বড়
হয়নি। ৩০ রানে থামে উদ্বোধনী জুটি। ১৯ বলে ২১ রান করে আউট হন সাহিবজাদা
ফারহান। আর ৩৭ বলে ৪১ রান আসে তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাট থেকে।
পরের
পাঁচজন ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। দলনেতা নাজমুল
হোসেন শান্ত ৮, মুশফিকুর রহিম ০, আকবর আলি ৩, জিমি নিশাম ৬ ও রায়ান বার্ল ৩
রান করে আউট হন।
এরপর ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তোলেন আব্দুল গাফফার
সাকলাইন। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে করেন ৩৫ রান। তাতেই
মিরপুরের মতো মন্থর গতির পিচে মোটামুটি একটি সংগ্রহ পায় রাজশাহী। এদিকে
রিপন মণ্ডল ১০ ও বিনুরা ৩ রান করেন। আর ১ রানে অপরাজিত থাকেন হাসান মুরাদ।
চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন পাঁচজন বোলার।
