শিক্ষাগত
যোগ্যতার সনদ জাল করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে চাকরিপ্রার্থী ও সনদ যাচাইয়ের
দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যসহ আটজনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা করেছে
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সাইদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বাদী হয়ে নিজ কার্যালয়ে এ মামলা করেন।
মামলার
আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএফআরআই) গাড়ি চালক
খালেদ মোশাররফ রিয়াজ, সুইপার স্বপন সরকার, দারোয়ান মো. ফরিদ আহম্মদ ও
আলমগীর হোসাইন, রামগতি থানার তৎকালীন এসআই মো. রফিক, চট্টগ্রাম জেলা
পুলিশের বিশেষ শাখার তৎকালীন এএসআই মো. মনির হোসেন, খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের
বিশেষ শাখার তৎকালীন এসআই আবদুল বাতেন ও গাইবান্ধা জেলা পুলিশের তৎকালীন
ডিআইও আতিকুর রহমান।
দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার
এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে বিএফআরআই এর গাড়ি চালক, সুইপার ও দারোয়ান
পদে চারজনের চাকরি হয়। এসব চাকরি শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল অষ্ট শ্রেণি পাস।
তাদের চাকরি স্থায়ী করা হলেও জাল সনদ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে দুদক এ ঘটনা
তদন্ত করে চারজনের সনদ জাল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
তারা গত বছরের ২৯
জুন পর্যন্ত ওই চার কর্মচারী বেতন-ভাতা বাবদ আনুমানিক ৮৭ লাখ টাকা সরকারি
কোষাগার থেকে আত্মসাৎ করেছে বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহারে বলা
হয়েছে, পারস্পরিক যোগসাজশ ও অসৎ উদ্দেশ্যে দায়িত্বের অপব্যবহার করে ওই চার
কর্মচারীর দাখিল করা ৮ম শ্রেণি পাসের ভুয়া প্রত্যয়নপত্রগুলোকে সঠিক বলে
পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন দেয় এবং এ রিপোর্টের ভিত্তিতে চার কর্মচারীর
চাকরি স্থায়ী হয়। সেকারণে চার পুলিশ সদস্য তাদের যোগসাজশে অর্থ আত্মসাতে
সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
