ইসমাইল নয়ন।।
গ্রামের
মেঠোপথ ধরে হেঁটে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে বসে থাকা এক বৃদ্ধার মাথায় হাত
রেখে কুশল বিনিময় করছিলেন এক তরুণ। পাশ থেকে একজন ফিসফিস করে বললেন, "উনি
আমাদের সুমন ভাই। বিপদে-আপদে সবার আগে ওনাকেই পাশে পাওয়া যায়।"
তিনি আর
কেউ নন; ৫ নং দুলালপুর ইউনিয়নের নাল্লা গ্রামের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট
ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ সুমন মিয়া। এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন
শুধু একজন সফল ব্যবসায়ী নন, বরং এক মানবিকতার প্রতিচ্ছবি। পিতা মোঃ ইদ্রিস
ব্যাপারী এবং দাদা আলা বক্সের ঐতিহ্যকে বুকে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে
নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন এই মানুষটি।
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ
নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি এক একান্ত সাক্ষাৎকারে সুমন মিয়া তাঁর
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে তিনি
বলেন, "আমি দুলালপুরের মানুষের ওপর শাসন করতে আসিনি। শাসক হিসেবে নয়, আমি
আজীবন এই মাটির মানুষের সেবক হিসেবে পাশে থাকতে চাই।"
ঢাকা শহরের একজন
সফল ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও নাড়ির টান তাঁকে বারবার ফিরিয়ে আনে দুলালপুরের
চেনা ধুলোবালি আর চেনা মানুষদের কাছে। এলাকার হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের
যেকোনো সংকটে সুমন মিয়ার দুয়ার সবসময় উন্মুক্ত থাকে। করোনাকালীন সংকট কিংবা
শীতের তীব্রতা—সব সময়ই তিনি সাধ্যমতো বাড়িয়ে দিয়েছেন সহায়তার হাত।
নির্বাচনে
অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে একগাল হেসে তিনি বলেন, "নির্বাচন তো একটা
উছিলা মাত্র। মূল উদ্দেশ্য হলো আমার দুলালপুরকে একটি আধুনিক, স্মার্ট এবং
সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা। আর এই লড়াইয়ে আমি একা নই,
এলাকার সাধারণ মানুষই আমার মূল শক্তি। তাদের সঙ্গে নিয়েই আমি পথ চলতে চাই।"
স্থানীয়
বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সুমন মিয়াকে তারা শুধু একজন প্রার্থী
হিসেবে দেখছেন না, দেখছেন একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবক হিসেবে।
প্রচার-প্রচারণার জাঁকজমক নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম
ভালোবাসা ও সততাই তাকে সাধারণের মাঝে অনন্য করে তুলেছে।
ব্যবসায়িক
ব্যস্ততার মাঝেও যিনি অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে বুক চিতিয়ে দাঁড়ান,
সেই সুমন মিয়াই এখন ৫ নং দুলালপুর ইউনিয়নের পরিবর্তনের নতুন আশার আলো।
