
জাতীয়
ফুটবল দলের গোলপোস্টের নিচে এক সময় নিয়মিত ছিলেন আনিসুর রহমান জিকো। ২০২৩
সাফে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোলরক্ষক হয়েছিলেন। এরপর ব্যক্তিগত কান্ডে নিজেকে
হারিয়ে খুঁজছিলেন। এবার চলতি মৌসুমে জিকো কিংসের হয়ে ভালো খেলেও ক্যাবরেরার
দলের জায়গা পাননি।
৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে
বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ। ওই ম্যাচের জন্য কোচ প্রাথমিক তালিকা করেছিলেন। সেই
তালিকায় গোলরক্ষক জিকোর নাম ছিল। কিন্তু তাদের অনেকেই ক্যাম্পে আসতে
পারছেন না। কোচ ক্যাবরেরা আজ ২৮ জনের তালিকা প্রকাশ করেছেন। সেখান থেকে বাদ
পড়েছে জিকোর নাম।
জিকোর অবর্তমানে আবাহনীর গোলরক্ষক মিতুল মারমা
জাতীয় দলের পোস্ট সামলিয়েছেন। কিংসে মেহেদী হাসান শ্রাবণের চেয়ে জিকোর
পারফরম্যান্স এই মৌসুমে ভালো। এরপরও তাকে দলে ডাকেননি ক্যাবরেরা। জিকোর
সঙ্গে ক্যাবরেরা সম্পর্ক অতটা মধুর নয়।
জিকো ক্যাম্পে ডাক না পেলেও
বিশ্বনাথ ঘোষ ইনজুরি কাটিয়ে আবার দলে ফিরেছেন। জাতীয় দলে নির্ভরযোগ্য
ডিফেন্ডার তিনি। প্রাথমিক দলে থাকলেও একাদশে জায়গা করে নিতে পারেন কিনা
দেখার বিষয়।
বাংলাদেশ দল সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগে ভিয়েতনামে একটি প্রীতি
ম্যাচ খেলবে ২৬ মার্চ। সেই ম্যাচ খেলার জন্য ২১ মার্চ ঢাকা ছাড়ার কথা
বাংলাদেশ দলের। হামজা চৌধুরী ২২ মার্চ সরাসরি ভিয়েতনাম পৌঁছাবেন।
বাংলাদেশের
ক্যাম্পে ডাক পেলেন যারা মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ,
ইশাক আকন্দ, তারিক কাজি, রহমত মিয়া, শাকিল আকাদ তপু, আব্দুল্লাহ ওমর, শাকিল
হোসেন, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, মঞ্জুরুর রহমান, ইসা
ফয়সাল, শাহ কাজেম কিরমানি, শেখ মোরছালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মো.
সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শামিত সোম, আরমান ফয়সাল আকাশ, ইমন শাহরিয়ার,
ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, ফাহামেদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ও সুমন
রেজা।
