ইরান
যুদ্ধের প্রভাবে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের কাছ থেকে
পাওয়া বাড়তি ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ বিবেচনা করে দেখার কথা বলেছে নয়াদিল্লি।
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ
কথা জানান।
সেখানে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সাংবাদিক আর্চিস মোহন বলেন,
“কোভিড মহামারীর সময় আমরা ছোট প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি উদার ছিলাম; আমরা
তাদের সহায়তা করেছি।
“চলমান যুদ্ধ-সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ বা
নেপালের মতো ছোট প্রতিবেশী রাষ্ট্র তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া কিংবা
জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো অনুরোধ জানিয়েছে কিনা?”
জবাবে জয়সওয়াল
বলেন, “আপনারা জানেন, ভারত পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের বড় রপ্তানিকারক
দেশ, বিশেষ করে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর ক্ষেত্রে।
“আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ডিজেল সরবরাহের একটি অনুরোধ পেয়েছি, যা বর্তমানে বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।”
এ ক্ষেত্রে ভারতের পরিশোধন সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং ডিজেলের প্রাপ্যতা বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানান জয়সওয়াল।
মুখপাত্র
বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের জনমুখী ও উন্নয়নমুখী সম্পর্ক। সেই
সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সাল থেকে আমরা নৌপথ, রেলপথ এবং ভারত-বাংলাদেশ
মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ
করছি।
“ডিজেল সরবরাহ বাড়াতে ২০১৭ সালের অক্টোবরে নুমালিগড় রিফাইনারি এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের মধ্যে একটি চুক্তিও হয়।”
শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপসহ আরও কয়েকটি দেশ থেকেও বাড়তি ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ পাওয়ার কথাও বলেন এ ভারতীয় কূটনীতিক।
ইনকিলাব
মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও
সহযোগী আলমগীর হোসেনকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ।
এই দুই আসামিকে বাংলাদেশে হস্তান্তরের বিষয়ে নয়াদিল্লির বক্তব্য জানতে চান গৌতম লাহিরি নামের এক সাংবাদিক।
জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “বিষয়টি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করে দেখছে। তাই এ বিষয়ে আমার মন্তব্য করা উচিত হবে না।”
