
যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। দেশটির বিভিন্ন
শহরে বিস্ফোরণের খবর আসছে। এই পরিস্থিতিতে ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতা স্থগিত
করেছে ইরান। দেশে ফেরার পথ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন সেখানে থাকা বিদেশি
খেলোয়াড়রা।
ইরানে শনিবার আকস্মিক যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল । এই হামলাকে তারা বলছে ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা।’
এর
ফলে ইরান প্রো লিগের ম্যাচগুলো আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। বছর খানেক আগেও
ইরানে হামলা করেছিল ইসরায়েল। তখনও বিরূপ প্রভাব পড়েছিল দেশটির ক্রীড়াঙ্গনে।
স্প্যানিশ
সংবাদ মাধ্যম এএস জানিয়েছে, এবারের সংঘাতের সরাসরি পড়েছে কয়েকজন
স্প্যানিয়ার্ডের ওপর। ইরানের ক্লাব পারসেপলিসের ফিটনেস কোচ পেপে লোসাদা ও
গোলরক্ষক কোচ এমিলিও আলভারেস দেশটিতে আটকা পড়েছেন। যুদ্ধের কারণে আকাশসীমা
বন্ধ করে দেওয়ায় ইরান ছাড়তে পারছেন না তারা।
আতলেতিকো মাদ্রিদ,
বার্সেলোনা, ভালেন্সিয়াসহ বেশ কয়েকটি ক্লাবে খেলা মুনির এখন ইরানের ক্লাব
এস্তেঘলাল এর হয়ে খেলছেন। সড়কপথে ইরান ছাড়তে তাকে সবধরনের সহায়তা করছে তার
ক্লাব।
আরেক স্প্যানিশ ফুটবলার আন্তোনিও আদানকে ভাগ্যবান বলা যায়।
খেলোয়াড়দের কয়েকদিন ছুটি দিয়েছিল তার ক্লাব এস্তেঘলাল। রেয়াল মাদ্রিদ,
রেয়াল বেতিস ও আতলেতিকো মাদ্রিদের সাবেক গোলরক্ষক আদান সংঘাত শুরু হওয়ার
আগেই ইরান ছাড়তে সক্ষম হন।
ইরানে বেশ কয়েকটি শহরে হামলা চালিয়েছে
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব
শহরের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের
সংখ্যা শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
