কবির
হোসেন, তিতাসঃ কুমিল্লার তিতাস উপজেলা ক্রিকেট খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে
একজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি
ঘটেছে আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বিকাল আনুমানিক ৪ টায় উপজেলার
নারান্দিয়া ইউনিয়নের তুলাকান্দি গ্রামে। আহত যুবক তুলাকান্দি গ্রামের মৃত
আবদুর রব মিয়ার ছেলে মো.সামিউল (২৯)। এসময় আহত সামিউলকে স্থানীয়রা উদ্ধার
করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা
যায় তুলাকান্দি গ্রামের পূর্ব পাড়া বনাম পশ্চিম পাড়ার জুনিয়রদের মধ্যে
আনুমানিক ৪ মাস আগে ক্রিকেট খেলা হয় ওই খেলায় উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয় সেই
দ্বন্দ্বের জেরে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বিকালে পশ্চিম পাড়ার আবু
বক্কর,রিয়াজুল, ইব্রাহীম ও ফাহিমসহ আরো ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে
সজ্জিত হয়ে পূর্ব পাড়ার সামিউলের উপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর
আহত করে চলে যায়।
পূর্ব পাড়ার মো.জামির হোসেন বলেন,আনুমানিক ৪ মাস আগে
পশ্চিম পাড়ার সাথে আমাদের একটা টুর্নামেন্ট ছিল ঐসময় তাদের সাথে কিছু
তর্কবিতর্ক হয়েছিল,তখন মাঠে খেলা বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার
জন্য দুলাল মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম হানিফ
ভাই দায়িত্ব নিয়ে ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দুলাল মেম্বার আমাদেরকে
নিয়ে পশ্চিম পাড়া যায় মিমাংসা করার জন্য তারা মানেনি উল্টো আমাদেরকে মারতে
আসলে আমরা চলে আসি। আজকে বিকালে পশ্চিম পাড়ার আবু বক্কর,রিয়াজুল, ইব্রাহীম
ও ফাহিমসহ আরো ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের পূর্ব
পাড়ার সামিউলের উপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে চলে
যায়।ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম হানিফ বলেন,পূর্ব ও পশ্চিম
পাড়ার পোলাপানদের মধ্যে ক্রিকেট খেলা নিয়ে কয়েক মাস আগে ঝগড়া হয়ে ছিল তখন
থেকে মাঠে উভয়ের খেলা বন্ধ রয়েছে।
শুক্রবার আমি ও দুলাল মেম্বার পশ্চিম
পাড়া গিয়ে পোলাপানদের বলি তোমরা উভয়ই এক গ্রামের তোমরা যতোদিন পর্যন্ত মিল
না হবা ততোদিন কেউ মাঠে খেলতে পারবা না। এই কথা বলে আমরা মাঠে অবস্থান নেই
যাতে কোনো দলই খেলাকে কেন্দ্র করে মারামারিতে না জড়ায়। এই ফাঁকে পশ্চিম
পাড়ার পোলাপান পূর্ব পাড়া গিয়ে সামিউলের উপর হামলা করে কুপিয়ে আহত করে।
তিতাস
থানা এস আই মাহমুদুল ইসলাম বলেন খেলা নিয়ে মারামারির ঘটনায় গুরুতর আহত
অবস্থায় একজন থানায় এসেছিল, হাসপাতালে পাঠিয়েছি চিকিৎসা নেওয়ার জন্য।
