নিজস্ব
প্রতিবেদক: এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা- ৪ আসনে ১০ দলীয়
জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা
নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম ঋণ খেলাপিদের নমিনেশন
দিতে। ১৭শ কোটি, ৬শ কোটি, ৪০ কোটি টাকার ঋণখেলাপী। এই ঋণ খেলাপিদেরকে সংসদে
পাঠিয়ে আসলে তারা জনগনকে কি বার্তা দিতে চায়, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়।
যারা জনগণের টাকা মেরে দিচ্ছে, যারা টেক্সের টাকা মেরে দিচ্ছে, তারা সংসদে
গিয়ে মূলত তাদের এই ঋণ যেন না দিতে হয়, সেই বন্দোবস্ত তারা করবে। সংসদ
সদস্য হয়ে তারা যেন ঋণটাকে মেরে দিতে পারে, এই ধরনের আইন ওরা বানাবে। সেই
জন্য আপনার ব্যালটের মধ্য দিয়ে ঋণখেলাপিদের না বলতে হবে। বুধবার দুপুরে
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর চান মিয়া সুপার
মার্কেটে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে
তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের দেশে ভারতীয়রা
গুন্ডামি চালিয়েছিল। ভারত থেকে বসে ঠিক করে দিয়েছে, আমাদের দেশটা কে
চালাবে। বিভিন্ন ব্যাংকের মতো এজেন্ট দিয়েছে। যাকে এজেন্ট দেয়া হয়েছিল, সেই
এজেন্ট মালিকের কথা মতো দেশ চালিয়েছিল। যখন পারে নাই, তখন এজেন্টকে মালিক
সরিয়ে নিয়ে গেছে। এই ভারতের গুন্ডামির সাথে যারা আপোষ করে নাই তাদের মধ্যে
হাদী ভাই অন্যতম। তিনি বলেন, মানুষ মরার আগে ওছিয়ত করে। হাদী ভাইও মরার আগে
ওছিয়ত করেছিলেন, আমাকে মাইরা ফেললেও দুঃখ নাই। আমার মৃত্যুর বিচারটা যেন
আপনারা নিশ্চিত করেন। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়- হাদী ভাই মৃত্যুর তিন সপ্তাহ
পেরিয়ে চার সপ্তাহে পদার্পণ করলেও এখন পর্যন্ত হাদী ভাইয়ের বিচার নিশ্চিত
করতে পারি নাই।
আগ্রাসন বিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে বুধবার কুমিল্লার
দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ান হাসনাত
আব্দুল্লাহ। এসময় ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এসময় জামায়াত ও
এনসিপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
