চলতি জুলাই মাসে
দেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও তিন অঞ্চলে
স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা রয়েছে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার জুলাইয়ের দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়া পূর্বাভাস সংক্রান্ত অধিদপ্তরের বুলেটিনে এই শঙ্কার কথা প্রকাশ করা হয়।
এ
পূর্বাভাস এমন এক সময় এল, যখন সদ্য সমাপ্ত জুন মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের
চেয়ে প্রায় ২৯.৪ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে
একাধিক দফায় ‘মৃদু থেকে মাঝারি’ ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. নূরুল করিম বলেন, “এ মাসে দেশের
প্রধান নদ-নদীর পানিসমতল সামগ্রিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া ভারি
বৃষ্টিপাতের কারণে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
“জুলাই মাসে দেশে স্বাভাবিক
বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে
পারে, যার মধ্যে একটি মৌসুমী নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারা
মাস দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।”
এ
ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও ১ থেকে ২টি বিচ্ছিন্ন মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে
পারে। তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে ‘মৃদু
তাপপ্রবাহ’ ধরা হয়।
কৃষি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে নুরুল করিম বলেন, “জুলাই
মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২.৫ থেকে ৪.৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য
কিরণকাল ৩.৭৫ থেকে ৫.৭৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।”
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য
অনুযায়ী, জুন মাসে যশোরে দেশের সর্বোচ্চ ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছিল এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নরসিংদীতে ১৮.৫ ডিগ্রি
সেলসিয়াস।
ওই মাসে দেশের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।
চাঁদপুরে ‘৫ কোটি টাকার’ অবৈধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ
চাঁদপুর শহরে অভিযান চালিয়ে বিপুল অবৈধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।
এ সময় অবৈধ জাল সংরক্ষণের দায়ে গুদামের মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
কোস্ট
গার্ডের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন
বুধবার বলেন, মঙ্গলবার রাতে শহরের পুরান বাজার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
কোস্ট
গার্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযানে ১০০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি এবং
১৫ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এসব জালের বাজারমূল্য প্রায় পাঁচ
কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার
উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে অবৈধ জাল সংরক্ষণের দায়ে
গুদাম মালিককে জরিমানা করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
