কুমিল্লার
বরুড়া উপজেলার বিভিন্ন খাল দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা, পানি
নিষ্কাশন সমস্যা ও কৃষি কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। যদিও উপজেলার
কয়েকটি খাল খনন করা হয়েছে, তবুও অধিকাংশ খাল এখনো খননের আওতায় আসেনি। ফলে
বর্ষা মৌসুমে সাধারণ মানুষকে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এ বিষয়ে আমার
ব্যক্তিগত প্রস্তাব হলো—যাদের বাড়ির ভিটা উঁচু করা, রাস্তা নির্মাণ বা
অন্যান্য কাজে মাটির প্রয়োজন রয়েছে, তারা সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে খাল থেকে
মাটি কাটতে পারেন। একই সঙ্গে খালের পাড় সংস্কার ও বাঁধাইয়ের দায়িত্বও নিতে
পারেন। এতে একদিকে খাল পুনরায় সচল হবে, অন্যদিকে মাটির প্রয়োজনও পূরণ হবে।
এই
উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।
পাশাপাশি খালের নাব্যতা ফিরে আসবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়ন
হবে এবং স্থানীয় জনগণও সরাসরি উপকৃত হবে।
তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,
জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের
সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বরুড়ার খালগুলো
পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হলে এলাকার পরিবেশ ও জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
