চাঁদপুর
শহরে অভিযান চালিয়ে ১২ কিশোরসহকে ২১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে
চাঁদপুর জেলা শহরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে
অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
রাতে বাইরে কোনো কিশোর অযথা
ঘোরাঘুরি করলে যেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক
মিলনের এমন বক্তব্যের পর ২১ জনকে আটক করে পুলিশ।
চাঁদপুর সদর মডেল থানা
পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার সন্ধ্যার থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শহরের হাসান আলী
সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ, লেকের পাড়, স্টেডিয়াম রোড, মাদ্রাসা রোড, পৌর
পার্ক, কবরস্থান রোড, প্রেস ক্লাব রোডসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়
পুলিশ। এসব স্থান থেকে ২১ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১২ জনের বয়স ১৪–১৭
বছর। অন্যদের মধ্যে ছয়জনের বয়স ১৮ বছর, দুজনের ১৯ ও একজনের ২৩ বছর।
চাঁদপুর
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, পুলিশ
সুপারের নির্দেশে রোববার সন্ধ্যার পর শহরে অভিযান চালানো হয়। ২১ জনকে আটক
করে থানায় আনা হয়েছিল। পরে তাদের অভিভাবকদের থানায় ডেকে এনে মুচলেকা নিয়ে
ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার রবিউল হাসান বলেন, ‘নিয়মিত
অভিযানের অংশ ছিল এটি। তবে গত শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক
মিলন চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন,
সন্ধ্যার পর অযাচিতভাবে কোনো কিশোর বাইরে ঘোরাঘুরি করলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ
করতে। এ জন্য তাদের থানায় নিয়ে এসে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে
দেওয়া হয়েছে।’
গত শুক্রবার দুপুরে কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে
প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ
সময় তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, কিশোরদের বিষয়ে বিশেষ নজর রাখুন। কিশোর
গ্যাং সৃষ্টি যেন না হয়। এই কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়ে একদম জিরো টলারেন্স হবেন।
মন্ত্রী
বলেন, নির্বাচনের সময় দেখেছি, রাতভর কিছু কিশোর রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় এবং মব
করে নানা অপরাধ সংঘটিত করে এমন অভিযোগ আসে। এগুলো চলতে দেওয়া যাবে না।
