বাংলাদেশ
জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, সারাদেশে ১১ দলীয়
জোটের গণজোয়ার দেখে অনেকে দিশেহারা হয়ে গিয়েছে। তারা এখন আমদের মা-বোনের
গায়ে হাত তুলা শুরু করেছে। যারা মা-বোনের গায়ে হাত তুলে আমরা তাদের ছেড়ে
কথা বলবো না। এটি গণতন্ত্র নয়। আপনার যেমন নিজের কথা বলার অধিকার আছে;
তেমনি অন্যের কথাও আপনাকে শুনতে হবে। তারা এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের
কথা বলছে, আরেক হাতে মায়ের গায়ে হাত তুলছে। তাদের এই দ্বিচারিতা বাংলাদেশের
মানুষ বুঝে। আর বুঝে বলেই দেশের মানুষ এখন জামায়াতকে চায়। মানুষ বুঝে গেছে
জামায়াত আসলে বাংলাদেশ ঠিক হবে। দেশের শান্তি আসবে।
তিনি বলেন, আমরা
কুমিল্লা টাউন হল মাঠেই বলেছিলাম কুমিল্লা নামেই বিভাগ বাস্তবায়ন হবে।
কুমিল্লা বিভাগের ঘোষনা যেহেতু দিয়েছি, এটি বাস্তবায়ন করা আমাদের পবিত্র
দায়িত্ব। আল্লাহর ফয়সালা-অন্য কেউ যদি সরকার গঠনও করায় আমরা তাদেরকে এটি
বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করবো। ১৮ কোটি মানুষের দেশ চারটি বিভাগ ছিল বেড়ে বেড়ে
আটটি হয়েছে। দশটা হবে বারোটা হবে কিন্তু কুমিল্লা নামে বিভাগ বাস্তবায়ন
করতে হবে। এখানে একটি ইপিজেড আছে। এর সাথে বিমানবন্দরের সম্পর্ক তো ভাবে
জড়িত । হাত আছে পা নাই এর কোন মানে আছে? হাতও থাকতে হবে পাও থাকতে হবে।
একটি আরেকটির সম্পূরক। আমি বিশ্বাস করি, আজকে যদি আন্তর্জাতিক মানের করা
যায় তাহলে শুধু দেশই নয় এখানে হুমরি খেয়ে পড়। তারা স্বাভাবিক ভাবেই চলাচলের
জন্য এয়ার সার্ভিসকে বেছে নিবে।
শুক্রবার কুমিল্লার মহানগরীর টাউন হল মাঠে এবং লাকসাম স্টেডিয়ামে পৃথক দুটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্ষমতায়
গেলে স্বপ্নের দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে
দেশের মাঠে-ঘাটে চাঁদাবাজি হয় সে দেশ সভ্য হতে পারে না। আমাদের এই দেশও
এখনো সভ্য দেশ হয়ে উঠেনি। জনগণের রায় নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যদি
সরকার গঠন করে তবে জনগণকে সাথে নিয়েই আমরা স্বপ্নের দেশ গড়বো। যে দেশে
শান্তি থাকবে, নিরাপত্তা থাকবে, মা-বোনদের ইজ্জত থাকবে।
মানুষের
ভোটাধিকার নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে কঠিন জবাব দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
যে মায়ের সন্তানেরা রক্ত দিয়ে জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তারিয়েছে তারা ঘুমিয়ে
পরে নাই। ভোট নিয়ে সরজন্ত করলে সেই সন্তানেরা জাপিয়ে পরবে। মানুষ যার যার
পছন্দের প্রার্থীকেই ভোট দিবে। কারো ভোট কেরে নেওয়ার চিন্তা করলে জনগণ ছেড়ে
দিবে না।
কুমিল্লার সমাবেশে বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে
ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা.সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ
তাহের, সেক্রেটারী জেনারেল সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার,
সহকারি সেক্রেটারী জেনারেল ও কুমিল্লা অঞ্চল পরিচালক মাওলানা এটিএম মাসুম,
ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কাইয়ুম,এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক
কুমিল্লা -৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। জাগপার সভাপতি ইন্জিনিয়ার
রাশেদ প্রধান, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কুমিল্লা -আসনের
দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে মহানগর
সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমান এর পরিচালনায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয়
মজলিশ শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ
শাহজাহান এডভোকেট, উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, কুমিল্লা -১০
আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, কুমিল্লা -৮
আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী ড.শফিকুল আলম হেলাল,কুমিল্লা -৫
দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী ড.মোবারক হোসেন,কুমিল্লা -৯ আসনে
দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী ড.সৈয়দ সরোয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী, কুমিল্লা
-৭:আসনে ঘড়ি প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা সোলায়মান খান,কুমিল্লা -৩
দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল, কুমিল্লা -২ আসনের
দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী নাজিম উদ্দিন মোল্লা,কুমিল্লা -১ আসনের
দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহালুল।জাকুসুর জিএস মাজহারুল
ইসলাম,কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর যথাক্রমে মু মোছলেহ উদ্দিন ও
অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয়
সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, এনসিপি অঞ্চল সমন্বয়ক নভিদ নৌরজ শাহ,খেলাফত
মজলিশ কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদের জামাল,বাংলাদেশ
খেলাফত মজলিশ কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মো.সোলায়মান, এবিপাটি কুমিল্লা জেলা
সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি অধ্যক্ষ মজিবুর
রহমান,কুমিল্লা মহানগরী সহকারি সেক্রেটারী যথাক্রমে কামারুজ্জামান সোহেল,
কাউন্সিল মোশারফ হোসাইন, নাছির আহম্মেদ মোল্লা। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন আবির, কুমিল্লা মহানগরী ছাত্রশিবির সভাপতি হাসান
আহম্মেদ।
লাকসামের জনসভায় কুমিল্লা-৯ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. ছৈয়দ
একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী
সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা আব্দুল হালিম,
কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, কুমিল্লা-৮
আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া
কলেজের সাবেক ভিপি অধ্যাপক রেজাউল করিম, কুমিল্লা-১০ আসনে দাঁড়িপাল্লার
নির্বাচন পরিচালক ডঃ দেলোয়ার হোসাইন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক
সম্পাদক মুফতি আব্দুল হক আমিনী, ঢাকা দক্ষিণ জেলা জামায়াত নেতা হামিদুর
রহমান সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা নোমান হোসেন নয়ন, ঢাকা মহানগর জামায়াত নেতা
মুহাম্মদ সিরাজুল হক, খেলাফত মজলিশ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মুফতি মাহবুবুর
রহমান, এনসিপি কুমিল্লা জেলা সমন্বয়ক ব্যারিস্টার মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ
খেলাফত মজলিস মনোহরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ, কুমিল্লা
জেলা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট
মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন, কুমিল্লা-৯ আসনে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন পরিচালক ও
লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব
ও উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ জহিরুল ইসলাম, মনোহরগঞ্জ উপজেলা আমীর হাফেজ
মাওলানা নূরুন্নবী, কুমিল্লা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম
প্রমুখ।
