রোববার ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
১২ মাঘ ১৪৩২
মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে করণীয়
ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ
প্রকাশ: রোববার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:০৬ এএম আপডেট: ২৫.০১.২০২৬ ২:৩৯ এএম |

 মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে করণীয়
প্রবাহমান সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পাবনার সাথিয়া উপজেলার ছমিরউদ্দীন বিশ্বাস বেশ বিব্রতবোধ করছেন। ছমিরউদ্দীন তার সত্তরোর্ধ জীবনে অনেক কিছু দেখেছেন, শুনেছেন, বুঝেছেন। সাবেক আমলা (যিনি অন্য অনেকের মতো নিজেকে কামলা মনে করতে নারাজ ছিলেন), এক সময় এমন এক দপ্তরে চাকরি করতেন, সেখানে শুধু লোকের ভুল ধরা ও শোধরানোর কাজই ছিল বেশি, সুশীল সেবক (সিভিল সারভেন্ট) সেজে জনসেবার কাজ যেটুকু করতে পারতেন তাও পাবলিক সারভেন্টদের। আজকাল শোনা যায়, এই জনসেবার সুযোগটুকুও নাকি টাকা-পয়সার বিনিময়ে করার চল বেড়েছে। নিয়মকানুন মেনে কাউকে সেবা দিতে ও নিতেও নাকি ওপরি লেনদেন ছাড়া চলেই না। ছমিরউদ্দীন সব কাজে আইনকানুন মানা ও মানানোর কর্মস্থলে কাজ করতে করতে ওপরিশূন্য পরোপকার, দেশের উন্নতি, অর্থনীতির পেট মোটা হওয়া- সবই এক ধরনের সংগ্রামের মধ্যদিয়ে কেটে গেছে। এখনো তার মধ্যে নিত্য মন খারাপ করার মতো ঘটনা ঘটে। কানে আসে সরকারি সেবা এখন টাকা দিয়ে কিনতে হয়। কারও জন্য সুপারিশ করার কাজে ইদানীং তিনি কোনো আগ্রহ বা উৎসাহ বোধ করেন না। কেননা, ২০-৩০ বছর আগে স্বজাত সহকর্মীরা তার কথার যতটুকু গুরুত্ব দিত এখন তেমন তো নেই বরং তার হতাশ হওয়ার অনেক কারণ থেকেই যায়। ছমিরউদ্দীনের মনে এখন এ ভয় ঢুকে গেছে যে, ভবিষ্যতে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার মতো ভালো লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। যারা ভালো থেকে চলতে চান, বিনা স্বার্থে পরোপকার করতে চান তারা এখন উধাও হচ্ছেন বাজার থেকে, পরাজিত হচ্ছেন। ছমিরউদ্দীনের পাশের থানায় এক বরেণ্য ব্যক্তিকে জটিল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সাদর আমন্ত্রণ করে ডেকে তাকে এমনভাবে কাজে লাগানো হয়েছে, তাতে থানার অধিকাংশ লোক হতাশ হয়েছে। তিনি বুঝতে পারেননি বা তাকে বুঝতেই দেওয়া হয়নি গ্রামের হরেক কিসিমের মানুষের সবাইকে সন্তুষ্ট করার ভূমিকা পালনের সুযোগ সীমিত, বরং তাকে সাদরে আমন্ত্রণের সুর পাল্টিয়ে তাকেই পদে পদে সমালোচনা শুনতে হয়। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে অন্ধ, অকৃতজ্ঞ সময়ে কেউ তার নিঃস্বার্থ সেবার যে সুযোগ সে সুযোগ হাতছাড়া হতে দিলে তিনি নিজেই যেমন ইতিহাসের আস্থাকুড়ে যাবেন, তার ওপর অর্পিত আশা-ভরসার হবে অপমৃত্যু এবং ভবিষ্যৎ বিপদত্রাতা হিসেবে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর হবে। বাড়ির খেয়ে বনের মহিষ তাড়ানোর কাজে কেউ কেন আসবেন, যদি তাকে অপবাদ-অপদস্ত হয়ে ফিরতে হয়। মূল্যবোধের এ অবক্ষয় ও অপমৃত্যুতে ছমিরউদ্দীন প্রমাদ গোনেন।
গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে গিয়ে গণতন্ত্রের গায়ে পচা কাদামাটি লাগানোর কোনো মানে হয় না। ইদানীং ছমিরউদ্দীন গণতন্ত্র নাটকের রিহার্সাল দেখেই প্রতিনিয়ত ভীষণ বিব্রত বোধ করছেন, ধাক্কা খাচ্ছেন। এটা এমন ধাক্কা যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ধাক্কায় প্রতিবাদ করার, প্রতিরোধ সৃষ্টির উৎসাহ-উদ্দীপনাও ধাক্কা খাবে। তাহলে দিন দিন অসৎ, অসত্য ও দুর্নীতি জিতেই যাবে?
বাংলাদেশে বিগত সাড়ে পাঁচ দশকে ছমিরউদ্দীন বেশ কয়েকটি অগতির গতি টাইপের রাষ্ট্র পরিচালনা দেখেছেন। তার আগে প্রাক্তন পাকিস্তান রাষ্ট্রকে ২৪ বছর বয়স পর্যন্ত ‘শিশু রাষ্ট্র’ নাম শুনতে অভ্যস্ত হয়েছিলেন তারা। সে বিবেচনায় ৫৪ বছর বয়সী বাংলাদেশকে ‘বয়স্ক বালক’ রাষ্ট্র বলা যাবে কি না, সেটা চিন্তার বিষয় বৈকি। রবীন্দ্রনাথ তার ‘ছুটি’ ওরফে ‘বলাই’ গল্পে ইচড়েপাকা ১২-১৩ বছর বয়সের বালককে এমন বালাই বলেছেন, যাকে আদর করা যায় না আবার শাসনও করা যায় না। ৫৪ বছরের বাংলাদেশকে কোন বয়সের কোন প্রকার বালকের সঙ্গে তুলনা করা যাবে? তার লেখাপড়ায় মন নেই, পুষ্টিহীনতায় ভোগে, নানা পুরোনো খ্যাসলত তার সঙ্গেই আছে অথচ সে নাকি আগামীবার স্নাতক হতে যাচ্ছে। ভালো মূল্যবোধের অবক্ষয় বাংলাদেশি সমাজ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক আদর-অনাদরের ত্রিশঙ্কু অবস্থার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। ন্যায়নীতি-নির্ভরতার জন্য হা-হুতাশ বাড়ছে। ন্যায়-অন্যায় বোধ ভোতা হয়ে যাচ্ছে- একে ধারালো করতে যে মনের জোর বা মূল্যবোধ দরকার তাও অবক্ষয়ের শিকার। শিক্ষা শিক্ষার জায়গায় নেই, স্বাস্থ্যসেবা সেবার আদর্শ হারাতে বসেছে। এখন চমকপ্রদ সড়ক ও সেতু হচ্ছে বা হয়েছে, কিন্তু সেই সড়কে চড়ার মতো টাকাকড়ি নেই অনেকের হাতে। সড়ক ও সেতু বানানোর টাকা লোপাট করেও সড়ক-সেতু দেখিয়ে লম্পটেরা টাকা নিয়ে গেছে, বড় দেনায় দেনাদার বানিয়ে গেছে গোটা জাতিকে। টাকা উড়িয়ে বিশাল পানি ভবন তৈরি হয়েছে, নদীতে যখন পানি নেই।
একান্নবর্তী পরিবার ভাঙতে ভাঙতে এখন বড্ড একা ছমিরউদ্দীনের পরিবার। ছেলেমেয়েরা বিদেশে সেই যে গেছে আর ফেরেনি। ফেরার পরিবেশ নেই বা রাখা হয়নি দেশে। দেশে তাহলে থাকছে কারা? এ প্রসঙ্গে ছমিরউদ্দীনের মনে পড়ে প্রাক্তন পাকিস্তান রাষ্ট্রের এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা। পাকিস্তানের সমকালীন সামরিক সরকারপ্রধান, যিনি ’৬৪-এর ভোটে অভিনয় করে বেসামরিক প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। শোনা কথা- সাজানো যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন ফিল্ড মার্শাল। মৌলিক গণতন্ত্র তার এক বিশেষ প্রিয় শব্দ। গণতন্ত্রের বিশ্ব মডেল এ রূপান্তরের জন্য তার খয়ের খাঁদের কাজে লাগিয়েছেন-জাতিসংঘ যদি এটি মডেল হিসেবে গ্রহণ করে তাহলে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার তিনি পেতেও পারেন, এমন সম্ভাবনা তার চাটুকররা হরহামেশা জানাচ্ছেন। দেশের মেধাবী আমলারা প্রেসিডেন্টকে বললেন, ‘স্যার মাথায় এক জবর বুদ্ধি আইছে- পূর্ব পাকিস্তানিরা সব সময় সংখ্যাগরিষ্ঠের গোঁ ধরে- সব কাজে ভাগ বসাতে চায়, ভাগাভাগিতে হরহামেশা বেশিটা চায়। কারণ পুবেরা জনসংখ্যায় বেশি। এখন পশ্চিমের জায়গা-জমি বেশি অথচ জনসংখ্যা অনুপাতে কম। আর পুবের লোক বেশি অথচ জায়গা-জমি কম। তাই গলার জোর তাদের বেশি। এটা কমানো বা থামানোর একটা ভালো উপায় আছে।’ প্রেসিডেন্ট জানতে চাইলেন- সেটা কী?
‘পরিবার পরিকল্পনা’। এ আবার কী? গণতন্ত্রের আগে ‘মৌলিক’ জুড়ে দিয়ে গণতন্ত্ররে যেমন নতুন সুখ ও সুর সাধতে চাইছি তেমনি পরিকল্পনার আগে ‘পরিবার’ জুড়ে দিয়ে পরিকল্পনারে কল্পনার বাড়িছাড়া করতে চাওয়া হচ্ছে নাকি, প্রেসিডেন্ট প্রশ্ন রাখেন।
বিজ্ঞ আমলারা, যারা মেকলের ভাষায় রক্তে-মাংসে শক্তিশালী, জ্ঞান-গরিমায় চৌকস, দেওয়ানা আর চালাক-চতুরতায় সুন্দরবনের বনেদি মামা সম্প্রদায়ের স্বগোত্রীয় নাম-পরিচয়ে সুশীল সেবক, কাজকামে প্রভু প্রভু ভাব। আর যে কারণে প্রেসিডেন্ট মহোদয় একখানা মশহব কেতাবই লিখেছিলেন- ‘প্রভু নয় বন্ধু’। ঋৎরবহফং ঘড়ঃ গধংঃবৎং-এর এমনই অনুবাদ করেছিলেন পূর্ববঙ্গের এক সৈয়দ সাহেব। প্রেসিডেন্টকে বোঝালেন- মহোদয়, এটি পরিকল্পনাকে লম্বা-খাটো কিংবা বিশেষায়িত করার জন্য নয়, এটি একটি ‘পরিবার’কে সাইজ করার কেরামতি। পুবের দেশে পরিবার সাইজ করতে পারলে ৪০-৫০ বছরের মাথায় দেখা যাবে তারা সংখ্যায় পশ্চিমের চাইতে কমে গেছে, সংখ্যাগুরুরা হয়েছে সংখ্যালঘু। পশ্চিমের পরিবার সাইজ করার দরকার হবে না। কেননা, এখানে জমি-জায়গা বেশি, লোকসংখ্যা কম। এভাবে চললে দেখা যাবে ৪০-৫০ বছর পর পশ্চিমে লোকসংখ্যা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে এমন জায়গায় গেছে আর পুবের লোকসংখ্যা কমে হয়ে গেছে সংখ্যালঘু, আর পশ্চিমের লঘুরা হয়েছে গুরু। তখন দেখা যাবে পুবের লোকেরা ভাগ চাওয়া-চাওয়াতিতে আর পেরে উঠছে না। চোখ ট্যারা আরেক কূটনৈতিক আমলা বললেন, ‘স্যার, আর একটা মজার ব্যাপার ঘটবে পুবের সংসারে।’
প্রেসিডেন্ট জানতে চাইলেন, সেটা কী? এই আমলা হার্ভার্ড থেকে অর্থ-সমাজতত্ত্বে বড় ডিগ্রিধারী। তিনি বিজ্ঞের মতো বললেন, ‘স্যার, পরিবার সাইজ করার যেসব ব্যবস্থা দেওয়া হবে তা পুবের শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী সংসারের লোকেরাই ব্যবহার করবে। অশিক্ষিত, বেকার ও বুদ্ধুরা ব্যবহার করবে না। কেননা, তারা ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট’ জাতীয় সাইনবোর্ড পড়তে পারবে না। তাদের রেডিও থাকবে না, টিভি নেই যে পরিবার সাইজের নানান বিজ্ঞাপন দেখবে। ফলে তারা পরিবার সাইজ করবে না। তারা বরং ছেলেমেয়ে বেশি হলে বেশি আয়-রোজগার করতে পারবে। একটা-দুটো মারা গেলেও অসুবিধা হবে না- এসব চিন্তা থেকেই ছেলেমেয়ের সংখ্যা বাড়াতে থাকবে। অন্যদিকে শিক্ষিতরা, সম্পন্ন পরিবারের লোকেরা পরিবার সাইজমন্ত্র মেনে নিয়ে ছেলেমেয়ের সংখ্যা কমাবে। ফলে তাদের পরিবার থেকে সমাজে আসবে স্বল্প পরিমাণ সদস্য আর অতি অশিক্ষিত ও বিত্তহীন পরিবার থেকে আসবে বেশি সদস্য। একপর্যায়ে সমাজে একটা ভারসাম্যহীন পরিস্থিতির উদ্ভব হবে। সম্পন্নরা তাদের স্বল্প সংখ্যক সন্তান ঘরের মধ্যে লুকিয়ে রাখবে, নইলে বিদেশে পাঠিয়ে দেবে। কেননা, বাইরের হানাহানিতে তাদের সন্তানদের নিরাপত্তার প্রশ্নে শঙ্কিত হয়ে উঠবে। এরূপ পরিবেশে একসময় পুবের সংসার মেধাশূন্য হয়ে পড়বে। তখন দেখা যাবে পুবের লোকেরা রাজনীতি, শিক্ষাদীক্ষা, চাকরি-বাকরিতে পশ্চিমের সঙ্গে আর পেরে উঠছে না। তখন আমরা হব আরও লাভবান, বলিয়ান ও কামিয়াব। প্রেসিডেন্ট বললেন, আর বলতে হবে না। সাচ্চা প্রস্তাব।
বাংলাদেশ থেকে মেধা ও উদ্যোক্তা পাচার হচ্ছে। পাচার হচ্ছে লুণ্ঠিত কোটি কোটি টাকা। বিদেশে কর্মসংস্থান পূরণ হয়েছে দেশের মেধাবী মানুষদের দিয়ে আর দেশে থাকছে যাদের নেই কোনো গতি। আবার এদিকে দেশের অনেক মধ্যপর্যায়ের চাকরি বিদেশিরা নিয়ে যাচ্ছে। রেগুলেটরি অথরিটিগুলো আত্ম-জিঘাংসার আড়ালে দুমড়েমুচড়ে ফেলছে সেই মূল্যবোধগুলো, যা তাদের আরও শক্তিশালী করতে পারত। রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে পুঁজিবাজারে আনা যাচ্ছে না। কেননা, ওই সব সংস্থা পরিচালনার শীর্ষে যারা আছেন তারা নিজেরাই নীতিনির্ধারক। রাষ্ট্র তাদের সঙ্গে পেরে উঠছে না, বাদী নিজেই যখন বিবাদী। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্ববিরোধিতা স্ব-সংহারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মনে হবে নিজেরা নিজেদের সঙ্গে শত্রুভাবাপন্ন আচরণ করছে। ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যদিয়ে অন্য দেশ ও জাতি যখন আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে, বাংলাদেশের জনগণ ও সমাজ সেখানে আত্মঘাতী পদক্ষেপের দ্বারা অপারগ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে বলে মনে হবে। ছমিরউদ্দীন তবুও আশাবাদী তাদের পুরাতন মূল্যবোধগুলো অবক্ষয়ের হাত থেকে রেহাই পেয়ে নতুন মূল্যবোধে জারিত হয়ে শক্ত ও মজবুত দেশ গড়ার প্রেরণাদাত্রী হয়ে উঠবে। মানুষ বাঁচে আশায়, দেশ বাঁচে ভালোবাসায়। এ দেশ আমাদের হতেই হবে। সুতরাং, আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে উত্তরণ হতে হলে স্বনির্ভর হওয়ার চেতনাকে সবার আগে স্থান দিতে হবে। যেকোনো প্রকার রাজনৈতিক ভুল বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রবণতাকে রুখে দেওয়া দরকার। যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চাই আত্মশক্তিতে বলিয়ান জাতি। এ মুহূর্তে সবার প্রত্যাশা: ১. স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্র সংস্কার; ২. সর্বত্র সুশাসন, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি; ৩. পরমত সহিষ্ণুতা, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্মানবোধ; ৪. বৈষম্য, বিরোধিতা ও ন্যায্যতা; ৫. নিরাপত্তা ও আইনের শাসন; ৬. দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন; ৭. মানবিক ও সম্মানজনক জীবনমান; ৮. মানসম্মত নাগরিক পরিবেশ; ৯. জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগব্যবস্থাপনা এবং ১০. আঞ্চলিক উন্নয়নে ভারসাম্য।
এসব উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সবার মধ্যে ঐক্যবদ্ধতার চেতনা দেদীপ্যমান এবং আত্মস্বার্থকে জাতীয় স্বার্থের অনুগামীকরণ আবশ্যক হবে। সবকিছুর ওপরে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই হবে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধের অন্যতম উপায়।
লেখক: চিন্তক, কলাম লেখক












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
আজ কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান
৩ জনসভা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি
কুমিল্লায় সরস্বতী পূজা উদযাপিত
আমি নির্বাচিত হলে এলাকার চিত্র পাল্টে যাবে - মনির চৌধুরী
এবারের নির্বাচন দেশগঠনের, কেন্দ্রে দখল নয়
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক
ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে জনগণ জবাব দিতে প্রস্তুত
দিনব্যাপী মনিরুল হক চৌধুরীর গণসংযোগ
রাজনীতি যেন লুটেরাদের বিনিয়োগের ক্ষেত্র না হয় : হাসনাত আবদুল্লাহ
ছুটির দিনে জমজমাট প্রচারণা
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২