
আগামী
পরশু থেকে শুরু হচ্ছে ১৬ তম জাতীয় আরচ্যারি প্রতিযোগিতা। এই আসরে আরচ্যারি
ফেডারেশন নতুনত্ব এনেছে। কম্পাউন্ড, রিকার্ভ নারী-পুরুষ দুই বিভাগেই
পদকজয়ীদের আর্থিক পুরস্কার থাকছে।
আজ বিকেলে অলিম্পিক এসোসিয়েশনের
অডিটরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে আরচ্যারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর
আহমেদ বলেন, ‘আমরা এবার ব্যক্তিগত ইভেন্ট দিয়ে শুরু করলাম। ব্যক্তিগত
ইভেন্টে স্বর্ণজয়ী ৫০ হাজার, রৌপ্য ২৫ ও ব্রোঞ্জ ১০ হাজার টাকা করে পাবেন।
আগামীতে অন্য ইভেন্টেও প্রদানের চেষ্টা করব।’
জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ দেশের
মধ্যে একটি খেলার সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা। অ্যাথলেটিক্স, সাতার, দাবা সহ
আরো অনেক ডিসিপ্লিনে তেমন আর্থিক পুরস্কার পান না জাতীয় চ্যাম্পিয়নরা।
আরচ্যারি ফেডারেশন খানিকটা ব্যতিক্রম উদ্যোগই গ্রহণ করেছে।
ফুটবল,
ক্রিকেটের বাইরে অন্য খেলার খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবে তেমন সুযোগ-সুবিধা পান
না। বিভিন্ন সংস্থার হয়ে চুক্তি/মাসিক ভিত্তিক চাকরি করেন। সেই দলের হয়ে
খেলেন। আর ফেডারেশনেও জাতীয় চ্যাম্পিয়নদের কিংবা জাতীয় খেলোয়াড়দের তেমন
আর্থিক সুবিধা প্রদান করতে পারে না। টানা দুই বার অলিম্পিক খেলা আরচ্যারদের
মাসিক বেতন কাঠামোই দুর্বল।
এবারের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ৭১ দল
অংশগ্রহণ করছে। যা বিগত সময়ের চেয়ে বেশি। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ক্লাব বা
জেলার অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফেডারেশনের ভোটাধিকার পাওয়ার অধিকার জন্মে। সামনে
ফেডারেশনের নির্বাচনের জন্যই কি এবার দল বৃদ্ধি? এমন প্রশ্নের উত্তরে
সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ফেডারেশনে কাউন্সিলর হতে হলে চার বছরের মধ্যে দুই
বার জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে হয়। একবার খেললে তো আর কেউ ভোটাধিকার পাবে
না।'
এবারের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে আরেকটি বিশেষত্ব ফেডারেশনের নিজস্ব
দল। শরণার্থীরা অলিম্পিক গেমসে আইওসি’র হয়ে অংশগ্রহণ করেন। তেমনি কোনো
সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ না করলে ঐ সংস্থার আরচ্যার বাংলাদেশ
আরচ্যারি ফেডারেশনের হয়ে খেলতে পারবেন। জাতীয় আরচ্যার রাকিব মিয়া আরচ্যারি
ফেডারেশনের হয়ে খেলবেন। আরচ্যারি ফেডারেশনের স্থায়ী পৃষ্ঠপোষক তীর জাতীয়
চ্যাম্পিয়নশিপের স্পন্সর। আরচ্যারির নিজস্ব ভেন্যু টঙ্গী স্টেডিয়ামে হবে
জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ।
