
ঋণখেলাপির
তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ ৮ সপ্তাহের
জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। প্রিমিয়ার ব্যাংকের করা
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ
দেন।
এর ফলে তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে থাকবেন এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ
নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার। তিনি
বলেন, এখানে ৯৪ কোটি টাকার ঋণের বিষয়। খেলাপি ঋণের তালিকায় মঞ্জুরুল আহসান
মুন্সীর নাম ছিল। পরবর্তীতে এটাকে চ্যালেঞ্জ হাইকোর্টে তিনি মামলা
করেছিলেন। এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ওই তালিকা তিন মাসের স্থগিত করেন।
এর বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার ব্যাংক ৫ জানুয়ারি চেম্বার আদালতে আবেদন করে। আগামী
৮ সপ্তাহের জন্য হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
ফলে খেলাপি ঋণের তালিকায় তার নাম থেকে যাচ্ছে। এখন নির্বাচনে অংশ নিতে তার
আইনগত জটিলতা তৈরি হলো।
এদিন আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে
ছিলেন আইনজীবী সাইফুল্লাহ মামুন। কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপি নেতা হাসনাত
আবদুল্লাহ জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী। এর আগে ঋণখেলাপির
তালিকায় থাকা কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর
নাম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন
করে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
এর আগে ৩ জানুয়ারি কুমিল্লার ১১টি
সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল
ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান। সেই সঙ্গে ওইদিন ৭৬ জনের
মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্রও
সেদিন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
