শনিবার ২৭ জুন ২০২৬
১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
নগর নিরাপত্তায় অপর্যাপ্ত সিসিক্যামেরা
অচল অর্ধেকেরও বেশি
তানভীর দিপু।।
প্রকাশ: রোববার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৪২ এএম আপডেট: ১৪.০৯.২০২৫ ১:৪১ এএম |


নগর নিরাপত্তায় অপর্যাপ্ত সিসিক্যামেরাকুমিল্লা নগরীর রাস্তার মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে লাগানো সিটি কর্পোরেশনের ক্লোজ সার্কিট বা সিসি ক্যামেরাগুলো প্রায়ই অকার্যকর, এছাড়া নগরীর আয়তন হিসেবে এসব ক্যামেরার সংখ্যা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত এবং এসব ক্যামেরা থেকে পাওয়া ভিডিও কম রেজুলেশনের বলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যেসেব এলাকায় ক্যামেরা রয়েছে সেখানেও অবাধে ফেস্টুন ব্যানার লাগিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে এসব ক্যামেরার সামনে। অপরাধ প্রবনতা কমিয়ে আনা ও অপরাধী শনাক্ত করতে এসব সিসিক্যামেরার গুরুত্ব অপরিহার্য হলেও অযত্নে ও অবহেলায় নগর নিরাপত্তার এসব আধুনিক ক্যামেরা প্রায় সবগুলোই অকার্যকর।
অপরাধ বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, নগর নিরাপত্তায় ঝুঁকি এড়াতে যেসব ক্যামেরা লাগানো হয়েছে সেসব ক্যামেরা গুলোর সামনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে শহরকে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। অপর দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপরাধ দমনে প্রমান সংগ্রহ ও তদন্তে 'অসহযোগিতা' করা হচ্ছে বলে জানান তারা।
কুমিল্লা সিটিকর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চুরি-ছিনতাই- খুনসহ নানান অপরাধ প্রবনতা রোধ, যানজট নিরসন ও নিরাপত্তা নজরদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২২ সালে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর নিরাপত্তায় ৯০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন হয় নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব ক্যামেরা লাগানো হয় ব্যস্তততম রাস্তা, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান - জনসমাগম হয় এমন এলাকায়। নাইস পাওয়ার ও আমরা নেটওয়ার্ক নামের দুটি প্রতিষ্ঠান এই সিসিক্যামেরা স্থাপন ও সঞ্চালন কাজ ঠিকাদারির মাধ্যমে পেলেও বর্তমানে এর নিয়ন্ত্রন একমাত্র সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের কাছে। বর্তমানে নগরীতে ৯০ টি ক্যামেরার মধ্যে ৬০ টি ক্যামেরা সচল আছে, বলছে সিটি কর্পোরেশন। এরমধ্যে বুলেট ক্যামেরা ৪৫টি এবং পিটিজেট বা মুভমেন্ট ক্যামেরা ১৫ টি। তবে এসব ক্যামেরা ২৭ ওয়ার্ডের মাত্র গুটিকয়েক এলাকা থেকে ভিডিও সংগ্রহ করতে পারছে। 

জানা গেছে, এসব ক্যামেরার ফুটেজ ও ছবি মাত্র সাত দিন সংরক্ষণ করা হয়। পুরো সিটি কর্পোরেশনে সিসি ক্যামেরা পরিচালনার জন্য প্রোগ্রামার, অপারেটিং স্টাফ ও সার্ভিস স্টাফসহ মোট ১০ জনের একটি সক্রিয় টিম প্রয়োজন থাকলেও বর্তমানে মাত্র একজন এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। সবমিলিয়ে নগর নিরাপত্তায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার অপরিহার্যতা একসময় নগর কর্তৃপক্ষের অনুধাবন হলেও তা বর্তমানে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে ক্যামেরা স্থাপন যেন এখন অনেকটাই বেকার।
নগর নিরাপত্তায় অপর্যাপ্ত সিসিক্যামেরা
সম্প্রতি সরেজমিনে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সিসিক্যামেরা পোস্ট ও আউটপুট স্টেশনের মনিটরে গিয়ে দেখা গেছে, কুমিল্লা নগরীর সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা কান্দিরপাড় মোড়ে টাউন হল এর গেইটে সিসি ক্যামেরার সামনে ফেস্টুন সাঁটানো হয়েছে, কোনভাবেই ক্যামেরায় দেখার উপায় নেই - টাউন হল মাঠে কারা প্রবেশ করছে কারা বের হচ্ছে। অথচ প্রতিনিয়তই কুমিল্লা টাউন হল মাঠে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 
টাউন হল মাঠের বিপরীতে সিটি পয়েন্ট রেস্টুরেন্টের উপরে লাগানো মুভমেন্ট ক্যামেরাটি ভেঙে আছে কতদিন কেউ জানে না। কান্দিরপাড় পুলিশ বক্স এর উপরে সিটি কর্পোরেশনের বুলেট ক্যামেরা ভেঙ্গে ঢেকে আছে ইন্টারনেট সেবা দেয়া তারের নিচে। একই দশা রাজগঞ্জ মোড়ে বজ্রপুর সড়কের মাথায় লাগানো সিটি কর্পোরেশনের বুলেট ক্যামেরার, সেটিও ভেঙ্গে অচল হয়ে মরিচিকা পড়ে আছে। শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে বৈদ্যুতিক পোস্টে লাগানো সিটি কর্পোরেশনের সিসি ক্যামেরা ভেঙে পড়ে আছে দীর্ঘদিন, তবে এ বিষয়ে কিছুই জানে না সিটি কর্পোরেশন।
নগরীর সালাহউদ্দিন মোড়ে মুভমেন্ট ক্যামেরার লেন্স খুলে নিয়ে গেছে কে বা কারা- এর উত্তর নেই কারো কাছে।
এমনকি সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও বাসস্ট্যান্ড, মহাসড়ক, স্কুল কলেজের সামনে সিসি ক্যামেরা দেখা যায় নি। কেউ কেউ বলছে, গত ৫ আগষ্টের পর এসব ক্যামেরাগুলা নষ্ট করে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। কখনো এসব ক্যামেরা মেরামত করতেও আসে নি কেউ।
সম্প্রতি কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইন্সে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া শিক্ষার্থী নাইম হাসান বলেন, ‘আমি শুধুমাত্র সিসিটিভি ফুটেজ পেলেই ছিনতাইকারী শনাক্ত করতে পারতাম। আশেপাশে দোকান থেকে যে ফুটেজ পেয়েছি তা একেবারে কম রেজুলেশনের। মানুষের চেহারা বুঝা যায় নি।’
নগরীর সালাহউদ্দিন মোড়ে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া কালীপদ দেবনাথ বলেন, ‘আমি ছিনতাইয়ের শিকার হই রাতে। পরে দিন পুলিশকে জানালে তারা খোঁজ নেয় এবং তারা জানায় সেখানে সিটি কর্পোরেশনের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো নষ্ট। অথচ ক্যামেরা থাকলে মানুষগুলোকে চেনা যেত।’
কোতয়ালি থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘কোতয়ালি থানাধীন প্রায় সব ক্যামেরাই ইনএ্যাকটিভ। আমরা সিটি কর্পোরেশনকে বলেছি সকল রাস্তার মাথায় ও মোড়ে মোড়ে সিসিক্যামেরা লাগাতে, কিন্তু তারা বার বার বলছে- কিছুই করছে না। আমাদের বাসা বাড়ি দোকানপাট থেকে ফুটেজ নিতে হয়। আগের যে সিইও মহোদয় ছিলেন উনাকে বলেছি, এখন নতুন যে প্রশাসক মহোদয় এসেছেন উনাকেও জানাবো। শহরের মধ্যে ক্রাইম প্রিভেনশনে সিসিক্যামেরার ফুটেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ - এটা সবাই জানে।’
কুমিল্লা আদালতের পিপি (নারী ও শিশু) বদিউল আলম সুজন বলেন, ‘নাগরিক ভোগান্তি ও ঝুঁকি অপসারন করার জন্য এসব সিসিক্যামেরা লাগানো হয়েছে, কিন্ত সেই সিসিক্যামেরা আমাদের কাজে লাগছে না। আমাদের নাগরিকরা অসচেতন বলেই সিসিক্যামেরার সামনে ফেষ্টুন ব্যানার স্থাপন করে দিচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনকেই দায়িত্বশীল হতে হবে। আমরা আগে বিভিন্ন সময় দেখতাম সিটি কর্পোরেশন পোস্টার ফেস্টুন ব্যানার সেগুলো অপসারণের নিয়মিত কাজ করে থাকে- কিন্তু এগুলো এখন আর আমরা দেখছি না।’
অন্তত দুই শ’ স্থানে প্রয়োজন সিসিক্যাম; আছে মাত্র ৯০টি:
কুমিল্লা নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে অন্তত ২শ’টি পয়েন্টে নিরাপত্তা ও সড়ক শৃঙ্খলার স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন জরুরি বলছেন নাগরিক প্রতিনিধিগণ।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী বলেন, নগরীর সহজ নিরাপত্তা নজরদারিতে নাইট ভিশনসহ হাইরেজুলেশন সিসিটিভি ক্যামেরার প্রয়োজনীয়তা এখন আধুনিক সময়ে অপরিহার্য। নজরদারির আওতায় থাকলে যে কোন এলাকায় অপরাধ কমে আসবে, এটা স্বাভাবিক এবং এজন্যই সিটি কর্পোরেশন এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে সিসিটিভি ক্যামেরার অপরিহার্যতা বুঝতে হবে। এছাড়া কোন অপরাধ সংগঠিত হলে পুলিশ বা অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা একটি স্টোরেজ থেকেই প্রয়োজনীয় জায়গার ভিডিও সংগ্রহ করতে পারবে। এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে হবে না। বর্তমান সময়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সিসিটিভি ক্যামেরা ছাড়া একটি মেগাসিটি হয় কিভাবে?
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে যে ৯০টি ক্যামেরা রয়েছে তা সর্বোচ্চ ৫০টি এলাকা কাভার করছে। কিন্তু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের যে আয়তন, জনসংখ্যা এবং স্থাপনা রয়েছে সে হিসেবে অন্তত ২শ’ টি স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা প্রয়োজন বলে মনে করি। তবে দিন দিন সিটি কর্পোরেশন যে হারে জনবহুল ও ব্যস্ত হয়ে উঠছে এই ক্যামেরার চাহিদা দিন দিন বাড়বে। সিটি কর্পোরেশন তাদের ক্যামেরাগুলোর যত্নতো নেয় ই নি বরং এগুলো দিন দিন যে অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে -তার দায়ও তাদের নিতে হবে। এমনকি কোথাও যদি সিসিটিভি ক্যামেরার অভাবে নগরীতে নিরাপত্তা ঘাটতি দেখা দেয় তাহলেও এই দায় তাদের নিতে হবে।
মাসুক আলতাফ চৌধুরী বলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পুলিশ সমন্বিত ভাবে এই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেন। সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ এবং অধিক গুরুত্বপূর্ণ এই ভিত্তিতেও বিভিন্ন এলাকায় ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা যেতে পারে। এর গুরুত্ব নগর প্রশাসনকে বুঝতে হবে। 
সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারিতে থাকলে অপরাধ কমে আসবে: পুলিশ
কুমিল্লা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারিতে থাকলে অপরাধ কমে আসবে -এটা সহজ কথা। ক্রাইম প্রিভেনশন ও ক্রাইম ডিটেকশন এ সিসি ক্যামেরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্মসহ যে কোন অপরাধ রুখতে সিসি ক্যামেরা আমাদেরকে অনেক সহায়তা করে। সিটি কর্পোরেশনের সাথে যখনই কথা হয় তারা বলে যে নগরীতে যতগুলো ক্যামেরা আছে তারা সবগুলো মেরামত করার প্রকল্প নিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, শহরের মধ্যে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের লাগানো যেসব সিসি ক্যামেরার রয়েছে দেখা গেছে সেগুলো বিভিন্ন সময় নষ্ট কিংবা ডিসপ্লেস হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া সিসি ক্যামেরা গুলোর সামনে যেন কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা না পড়ে সেজন্য সিটি কর্পোরেশনকে জানানো হয়েছে। তারা বলেছে এবিষয়ে নিয়োগকৃতদের জানানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, সিসিক্যামেরার একটি আউটপুট ইউনিট যদি পুলিশের কাছে থাকে তাহলে- তারা আরো সহজে কাজ করতে পারবে। দেখা যাবে কোথায় যানজট হচ্ছে কিনা, কোথাও মারামারি হলে কিংবা কোথাও কেউ রাষ্ট্রীয় অতি জরুরি যাতায়াতের প্রয়োজনে সিসিক্যামেরা দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। আমরা আশা করবো কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন বিষয়টিতে গুরুত্ব দিবে।
সিসিক্যামেরাগুলো রি-ইন্সটল করা হবে: নগর প্রশাসক 
কুমিল্লা নগরীতে কোন কোন এলাকায় সিসিক্যামের প্রয়োজন তা ইতোমধ্যে নতুন করে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নব নিযুক্ত প্রশাসক মোঃ শাহ আলম।
প্রশাসক মোঃ শাহ আলম বলেন, আমি মাত্র দায়িত্ব গ্রহন করেছি। সিসিক্যামেরার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনস্থাপনের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহন করছি। শুধু সড়কে নয়, আমরা বিভিন্ন ওয়ার্ড অফিসগুলোও সিসিক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছি।
তিনি জানান, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যেখানে সিসিক্যামেরার সামনে ফেষ্টুন ব্যানারের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেগুলো অপসারনের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে । এছাড়া পুরো সিসিক্যামেরা ইউনিট পরিচালনার জন্য দক্ষজনবল নিযুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।
















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
চীন থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হামের প্রাণহানি ৭০০ ছাড়াল
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়
সম্পর্ক উন্নয়‌নে ভার‌তের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ কী বার্তা দি‌চ্ছে?
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লাকে যানজটমুক্ত করতে কুসিকের উচ্ছেদ অভিযান
কুমিল্লায় দুর্ঘটনার কবলে দুই ট্রেন
কুমিল্লা সীমান্তের অর্ধশতাধিক এলাকা দিয়ে ঢুকছে মাদক
কাটাবিলে মাদক ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ চলাকালে ষষ্ঠ শ্রেণিরশিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
কুমিল্লার মুরাদনগরে হত্যা মামলার আসামির স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২