
জাতীয়
বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে বোন আফরা খন্দকারের ফাইনাল নিশ্চিতের দিন মোহাম্মদ
আলী বক্সিং স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন আফঈদা খন্দকার। ইভেন্ট শেষে বড় বোনকে
অভিনন্দন জানিয়ে জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক বলেছিলেন, ‘আপু, ফাইনালে
জিততে হবে।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাফুফে ভবনে অনূর্ধ্ব-২০ দলের এশিয়ান
কাপ বাছাই খেলতে লাওস যাওয়া উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন শেষ করে তিন
সতীর্থ ফুটবলার নিয়ে স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিলেন আফঈদা। আফরা ও আফঈদার
বাবা-মা আগে থেকেই থেকেই ছিলেন। মেয়ে আফঈদা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতেই
বাবা-মা তাকে নিয়ে জায়গা করে নেন গ্যালারিতে।
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী
জিনাত ছিলেন ৫২ কেজি ওজন শ্রেণির ফাইনালে ফেবারিট। জিতেছেন ফেবারিটের মতো
খেলেই। ৫-০ ব্যবধানে জিতে দেশের ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় অভিষেক আসরেই স্বর্ণ
জিতেছেন ৩১ বছর বয়সী বক্সার জিনাত।
৯ মিনিটের লড়াইয়ের পুরো সময়ই বড়
বোনকে উৎসাহ দিয়েছেন আফঈদা খন্দকার। ‘সাবাশ সাবাশ’ ‘মার, মার,
মার’-গ্যালারিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে বোনের জন্য এভাবেই গলা ফাটিয়েছেন
নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক। তবে শেষ পর্যন্ত তার বোন জিততে পারেননি।
খেলা
শেষে হোটেলে ফেরার আগে আফঈদা খন্দকার সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানান এভাবে,
‘উনার (জিনাত ফেরদৌস) সঙ্গে যে তিন রাউন্ড খেলছেন, এটাই আমার ভালো লাগছে।
বোন যখন মার খাচ্ছিল, আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আপু ভালো খেলে হেরেছে।’
