
ঘরের মাঠে দ্বিতীয় মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় আতলেতিকো। আলেকসান্দার সরলথের ফ্লিকে জুলিয়ানো সিমেওনের পা ঘুরে বল পান হুলিয়ান আলভারেস। কিন্তু শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার।
পঞ্চদশ মিনিটে ডি-বক্সে যথেষ্ট সময় ও জায়গা পেলেও জাল খুঁজে নিতে পারেননি পাবলো বারিওস। বায়ার্নের একজনের গায়ে লেগে হয়ে যায় কর্নার।
পাঁচ মিনিট পর দূর থেকে গোলের চেষ্টায় সফল হননি আলভারেস। তার শট বেরিয়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
২৩তম মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি বায়ার্ন মিডফিল্ডার কার্ল। পরের মিনিটে একটুর জন্য জালের দেখা পাননি তার সতীর্থ লাইমের।
আতলেতিকোকে প্রবল চাপে রাখা বায়ার্ন আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া করে ২৭তম মিনিটে। এবার ভলি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি কেইন। এমন শটে সাধারণত জালের দেখা পান তিনি।
তিন মিনিট পর দারুণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি সরলথ। পুবিলের চমৎকার ক্রসে হেড করবেন নাকি পা ওপরে তুলে গোলের চেষ্টা করবেন, এ নিয়ে দ্বিধায় সময় নষ্ট করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বল ক্লিয়ার করেন একজন ডিফেন্ডার।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তিনটি সুযোগ তৈরি করে বায়ার্ন। এর শেষটিতে এগিয়ে যায় জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।
৪৬তম মিনিটে জসুয়া কিমিখের শট ঠেকান আতলেতিকো গোলরক্ষক। ছয় মিনিটে আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন কদিন আগে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ব্যালন দ’র জেতা কেইন।
৫৪তম মিনিটে ডি-বক্সে হবাঁন লু নহমাঁ ক্লিয়ার করতে দেরি করলে বল কেড়ে নেন কার্ল। খুব কাছ থেকে জাল খুঁজে নেন তিনি।
৭০তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া করেন কেইন। তিন মিনিট পর দাইয়ু উপামেকানোর শট কোনোমতে ব্যর্থ করে দেন আতলেতিকো গোলরক্ষক।
৭৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লাইমের। দূরের পোস্টে কেইনের কাছ থেকে বল পেয়ে গতিময় আড়াআড়ি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
৮৮তম মিনিটে দূরের পোস্টে ভলি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি আতলেতিকো ডিফেন্ডার দাভিদ হানচকো। বাকি সময়ে আর তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দলই।
চার ম্যাচে দুই জয় ও দুই ড্রয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরে আছে বায়ার্ন। আসরে দ্বিতীয় হারের পর, ৪ পয়েন্ট নিয়ে ২২ নম্বরে নেমে গেছে আতলেতিকো।
